cplusbd

নিউজটি শেয়ার করুন

রাজনীতির মুক্তমঞ্চের স্বাধীনতা উৎসবে আলহাজ আবু সুফিয়ান

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সকল ষড়যন্ত্রের বিষ দাঁত ভেঙ্গে দিতে হবে

1st Image

সিপ্লাস প্রতিবেদক (২০১৯-০৪-০১ ০৮:০৪:১১)

মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলো ইতিহাসের উজ্জ্বলতম দিন, রক্তমাখা দিন। আমরা সেই গর্বিত ইতিহাসকে ভুলতে বসেছি। জ্ঞানের আলোকবর্তিকার মাধ্যমে প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় সেই গৌরবময় ইতিহাসকে সমাজের প্রতিটি স্তরে পৌঁছে দিতে হবে। রাজনীতির মুক্তমঞ্চ এই কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে অগ্রণী ভূমিকা রাখছে।

রোববার (৩১ মার্চ ) চট্টগ্রাম একাডেমি মিলনায়তনে রাজনীতির মুক্তমঞ্চের উদ্যোগে স্বাধীনতা উৎসবের আলোচনা সভা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও রূপালী ব্যাংকের পরিচালক আলহাজ্ব আবু সুফিয়ান এ কথাগুলো বলেন।

রাজনীতির মুক্তমঞ্চের প্রধান সমন্বয়ক কল্যাণ চক্রবর্তী’র সঞ্চলনায় এতে সভাপতিত্ব করেন মোহনা টিভি চট্টগ্রাম ব্যুরোর ডিভিশনাল ডেপুটি চীফ আলী আহমেদ শাহীন।

বিকাল ৪টার আলোচনা সভা অনুষ্ঠানে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন সি প্লাস টিভির চীফ রিপোর্টার ও ই পেপার ইনচার্জ খোরশেদুল আলম শামীম, দৈনিক সুপ্রভাত বাংলাদেশের সহ: সম্পাদক কাঞ্চন মহাজন, সাংবাদিক বেলায়েত হোসেন।

সংবর্ধিত অতিথি ছিলেন আটলান্টা, জর্জিয়ার লীলাবতী সংগীত নিকেতনের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক চন্দ্রশেখর দত্ত, এডভোকেট রামপদ কায়স্থগীর, জাতীয় শ্রমিক লীগ কালুরঘাট শিল্পাঞ্চলের সভাপতি সৈয়দ মো. আলী আকবর, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের সাবেক ভিপি ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল হক চৌধুরী, ডা. চিকিৎসক ও সংগঠক শেখ মোহাম্মদ জাহেদ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক রফিকুল ইসলাম ও সমাজসেবক ছোটন দাশ।

অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন রাজনীতি মুক্তমঞ্চের উপদেষ্ঠা ডা. দুলাল কান্তি চৌধুরী। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন কাঞ্চন আচার্য্য, মো. মনির হোসেন, রিমন মুহুরী, টিংকু পালিত, প্রধান শিক্ষিকা মিশু ভট্টাচার্য্য, শিক্ষক মানস চক্রবর্ত্তী, শিক্ষিকা অশ্রুরাণী মুৎসুদ্দী, তানিয়া সুলতানা, জেসমিন আক্তার জুঁই প্রমুখ। 

উপস্থিত বক্তারা বলেন, নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধ কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এর একটা অতীত আছে যাকে বাদ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস দাঁড় করানো যায় না। বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ এক ও অভিন্ন। এই চেতনার সাথে যোগসূত্র স্থাপন করেছে মুক্তিযুদ্ধে অমর শ্লোগান জয় বাংলা। জয় বাংলা শব্দটি আমাদের কাছে অমর সংগীতের মতো। কেননা এ শব্দটি যতই শোনা যায় ততই ভাল লাগে। স্বাধীনতা দিবস জাতিকে নতুন করে বাঁচতে শেখায়, অত্যাচার ও শোষণের কালো হাত গুঁড়িয়ে দিতে, অধিকার আদায়ে আত্মসচেতন করে তোলে। বিজয় সংগ্রামের এ দিনটিতে উঁকি দেয় অসাম্প্রদায়িক, সন্ত্রাসমুক্ত শ্যামল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়।

সানি মহাজন ও ফয়েজ আহমেদ’র তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠানে শতাধিক শিক্ষার্থীদেরকে রচনা প্রতিযোগীতার পুরস্কার দেওয়া হয়।