আলোকিত মানুষ গড়বে চসিক-মেয়র নাসির

সিপ্লাস ডেস্ক
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১০:৩৮ am
  • ৪৪ বার পড়া হয়েছে

শিক্ষার্থীদের শুধু ভালো ফল নয়, আলোকিত, সমৃদ্ধ উন্নত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলাই চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন পরিচালিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর লক্ষ্য বলে মন্তব্য করেছেন মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।

মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) কেবি আবদুচ ছাত্তার মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

চসিকের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্যরক্ষা স্ট্যান্ডিং কমিটির ৪ বছর পূর্তি উপলক্ষে শিক্ষা বিভাগ এ সম্মেলনের আয়োজন করে।

মেয়র বলেন, আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি সাহিত্য-সংস্কৃতি-ক্রীড়া বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করা হয়। আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলবো, চসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পড়াশোনার মান আগের চেয়ে ভালো। সামনের দিনগুলোতে মান আরও বাড়বে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ভারপ্রাপ্তমুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছি। শিক্ষক নিয়োগ দিচ্ছি।যদিও অনেকে না বুঝে উদ্দেশ্যমূলক সমালোচনা করে।

তিনি বলেন, আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর চসিকের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ৯০টিতে উন্নীত হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান না থাকলে নগরের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সন্তানরা শিক্ষার সুযোগ পাওয়া নিয়ে সন্দেহ সংশয় থেকে যেত। আমি দায়িত্ব নেওয়ার সময় শিক্ষা খাতে চসিক ৪৩ কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হতো। নানা পরিকল্পনার কারণে এটা কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি। এখন ভর্তুকি দিতে হয় ৩৬ কোটি টাকা।

চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামশুদ্দোহা, স্ট্যান্ডিং কমিটির সভাপতি নাজমুল হক ডিউক, কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব, গিয়াস উদ্দিন, মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী, মেয়রের একান্ত সচিব আবুল হাশেম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

লিখিত বক্তব্যে প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা সুমন বড়ুয়া বলেন, চসিকের পরিচালনায় ৪৮টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ২৩টি কলেজ, ১টি বিশ্ববিদ্যালয়, ১টি পূর্ণাঙ্গ কম্পিউটার ইনস্টিটিউট, ৫টি কম্পিউটার ক্যাম্পাস, ৭টি কিন্ডারগার্টেন, ২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৩৫০টি ফোরকানিয়া মাদ্রাসা, ৯টি মসজিদ, ৪টি সংস্কৃত টোল, ১টি শিক্ষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, ১টি গণশিক্ষা কেন্দ্র, ১টি থিয়েটার ইনস্টিটিউট ও ১টি পাবলিক লাইব্রেরি রয়েছে।

শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরের অর্থায়নে নতুন ও ঊর্ধ্বমুখী ভবন সম্প্রসারণ ও উন্নয়নকাজ চলছে ২০টিতে, মেরামত কাজ চলছে ৮টিতে। জাইকার অর্থায়নে নতুন ভবন নির্মাণকাজ চলছে ১০টিতে। চসিকের নিজস্ব অর্থায়নে ১০টিতে নতুন ভবন নির্মিত হয়েছে, কাজ চলছে ৩টিতে।

চসিক পরিচালিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে কলেজে ২০ হাজার ৩৩০ জন, মাধ্যমিকে ৩৭ হাজার ৭০০ জন, প্রাথমিক ও কেজিতে ৪ হাজার ৯৫০ জন পড়াশোনা করছে। ১ হাজার ৮৭ জন স্থায়ী ও ৬৪১ জন অস্থায়ী শিক্ষক রয়েছেন।

মুজিব বর্ষের আয়োজন

আন্তঃস্কুল ও কলেজ ক্রীড়া, বিতর্ক, রচনা, বঙ্গবন্ধুর ভাষণ, উপস্থিত বক্তৃতা, সাহিত্য সাংস্কৃতিক প্রতিযোাগিতা, শিশু ও অভিভাবক সমাবেশ, বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্মের ওপর চসিকের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের গবেষণামূলক প্রবন্ধ নিবন্ধের স্মারক প্রকাশ।

২৮ সেপ্টেম্বর বিকেল ৪টায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কুইজ প্রতিযোগিতা ও বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 cplusbd.net
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
Shares