নিউজটি শেয়ার করুন

৮ কিলোমিটােরের সড়ক যন্ত্রণা

মোহাম্মদ ইলিয়াছ, লামা: বান্দরবানের লামা উপজেলার আজিজনগর, ফাইতং এবং গজালিয়ার একমাত্র সংযোগ সড়ক ‘গজালিয়া সড়ক’।

আজিজনগর এবং ফাইতং এর একাংশের লোকজন বিভিন্ন অফিসিয়াল এবং বাণিজ্যিক কাজের জন্য লামা উপজেলা সদরে যাতায়াত করে এই সড়ক দিয়ে। কিন্তু তাদের দূর্ভোগের কোন শেষ নেই।

শুষ্ক মৌসুমে ধুলোবালি আর বর্ষায় কর্দমাক্ত জরাজীর্ণ জীবন অত্র এলাকার মানুষের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে উঠেছে। ২০ কিলোমিটারের এই রাস্তা সড়ক ও জনপদ বিভাগের বিভিন্ন প্যাকেজে ১২ কিলোমিটার রাস্তার কাজ সম্পন্ন হলেও আরো ৮ কিলোমিটারের কাজ এখনো কাঁচা এবং অসম্পূর্ণই থেকে গেছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ৮ কিলোমিটারের এই কাঁচা রাস্তা তাও আবার উঁচুনিচু গর্তে ভরা। ব্রীজ কালভার্টগুলোরও বেহাল অবস্থা বিরাজমান। আবার কোন কোন জায়গায় ব্রীজ-কালভার্টই নাই। পায়ে হেটে এবং গাড়ি নিয়ে ছোট ছোট খালগুলো পাড়ি দিচ্ছে লোকজন। কিন্তু বর্ষার মৌসুমে এপার থেকে ওপারে আসা যাওয়া করাও দুষ্কর হয়ে পড়বে বলে জানায় এলাকার লোকজন।

এই ৮ কিলোমিটারের সড়ক যন্ত্রণার শেষই হচ্ছে না অত্র ইউনিয়নগুলোর লোকজনের। এ ব্যাপারে আজিজনগরের ইউপি চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন বলেন, “এই সড়কটা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমার ইউনিয়নে জনগনের স্বার্থে কাজটা খুব দ্রুত হওয়া প্রয়োজন যেহেতু এই সড়ক দিয়ে উপজেলা সদরে প্রতিনিয়ত আমাদের যাতায়াত করতে হয়। ”

বান্দরবানের সড়কও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী কর্মকর্তা মো: মুছলে উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করলে জানায়, “সম্প্রতি বান্দরবানে নতুন যোগদান করেছি, তাই অনেক জায়গা আমার অচেনা-অজানা। দয়া করে উপসহকারী প্রকৌশলীর সাথে কথা বললে ভালো হয়।”

যোগাযোগ করা হয় লামার সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী কর্মকর্তার সাথে।

তিনি বলেন, “ জোনাল অফিসে গজালিয়া সড়ক, নাইক্ষ্যংছড়ি সড়কসহ কয়েকটি সড়কের পরিমাপ করে কাগজপত্র পাঠানো হয়েছে।”

এ ব্যাপারে লামা উপজেলা চেয়ারম্যানও বলেন, “বিষয়টা আমার নলেজেও আছে। উক্ত রাস্তার পরিমাপ নিয়ে ইতোমধ্যে জোনালে পাঠানো হয়েছে। আশা করছি খুব শীঘ্রই কাজ শুরু হবে।”