নিউজটি শেয়ার করুন

দুটি ইটভাটা গুড়িয়ে দিল প্রশাসন

চন্দনাইশ প্রতিনিধিঃ চন্দনাইশে হাইকোর্টের নির্দেশে চলমান পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযানে উপজেলার কাঞ্চনাবাদ ইউনিয়নের কাঞ্চননগর পূর্ব এলাহাবাদ চা বাগান এলাকায় ৪র্থ বারের মতো অবৈধ ২টি ইটভাটা ধ্বংস করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর ও চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। পর্যায়ক্রমে উপজেলার সকল অবৈধ ইটভাটা ধ্বংস করার কথা জানিয়েছেন পরিবেশ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

মঙ্গলবার (২ ফেব্রুয়ারি) জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর যৌথভাবে এ অভিযান চালায়।

সকাল ১০টা থেকে দুপুর পর্যন্ত একটানা অভিযানে উপজেলার কাঞ্চনাবাদ ইউনিয়নের কাঞ্চননগর পূর্ব এলাহাবাদ চা বাগান এলাকার দুইটি অবৈধ ইটভাটা গুঁড়িয়ে দেয়া হয়।

ইটভাটা গুলো হল, শাহ্ আমানত ব্রিকস (বিবিসি) ও মেসার্স এম এইচওয়াই ব্রিকস। ভকু মেশিন ও ফায়ার সার্ভিস এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর উপস্থিতিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গালিব চৌধুরী এর নির্দেশে ইটভাটার কাঁচা ইট ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা পানি দিয়ে ধ্বংস করে। ইট পোড়াবার জন্য সাঁজিয়ে রাখা পুরো ভাটা ভেকু মেশিন দিয়ে গুঁড়িয়ে দেয়া হয়।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গালিব চৌধুরী’র নেতৃত্বে অভিযানে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের চট্টগ্রামের পরিদর্শক নুর হাসান সজীবসহ র‌্যাব-৭, জেলা ও থানা পুলিশ, আনসার ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মী , পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রামের কর্মকর্তা ও চন্দনাইশ কর্মরত সাংবাদিক প্রমুখ।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গালিব চৌধুরী এসময় সকল সাংবাদিকদের বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী চন্দনাইশে মোট ৩২ টি ইটভাটা রয়েছে। তৎমধ্যে ৫টিতে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র রয়েছে। বাকি ২৭টিতে ছাড়পত্র নেই। অভিযানে অবৈধ ২টি ইটভাটা ধ্বংস করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সবগুলো ইটভাটা ভেঙ্গে দেয়া হবে। ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন আইন ২০১৩ অনুযায়ী জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের লাইসেন্স, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র, বন বিভাগের ছাড়পত্র প্রয়োজন হয়। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।

সরকারের নির্দেশনা অনুসারে পরিবেশ রক্ষার জন্য অবৈধ ইটভাটা গুলো ধ্বংস করা হচ্ছে। চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের লাইসেন্সবিহীন অবৈধ ইটভাটা পরিচালিত হচ্ছে। এসব অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে অধিদপ্তরের নিয়মিত কার্যক্রম হিসেবে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে বলে সাংবাদিকদের জানান পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রামের কর্মকর্তারা।