নিউজটি শেয়ার করুন

স্থগিতাদেশ এনেও রক্ষা করা গেলনা সামার এয়াকুব টাওয়ারের অবৈধ অংশ

স্থগিতাদেশ এনেও রক্ষা করা গেলনা সামার এয়াকুব টাওয়ারের অবৈধ অংশ

সিপ্লাস প্রতিবেদক: আদালত থেকে স্থগিতাদেশ আনার পরও রক্ষা করতে পারেনি নকশা বহির্ভূত সামার এয়াকুব টাওয়ার’ নামে সেই ১৪ তলা ভবনটির অবৈধ অংশ।

বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) সকালে নগরীর কমার্স কলেজ রোডের মোগলটুলী কাটা বটগাছ মোড় এলাকায় সামার হোল্ডিং নামে একটি প্রতিষ্ঠানে আবারও অভিযান চালিয়ে ভবনের অবৈধ অংশ ভেঙে ফেলার কাজ শুরু করেছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন সিডিএ’র স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুল আলম চৌধুরী।

তিনি সিপ্লাসকে বলেন, এরই মধ্যে ১৪ তলা পর্যন্ত তাদের ফ্ল্যাট বিক্রিও করে দিয়েছে। নকশা বহির্ভূত ও অনুমোদনহীন অংশটুকু ভেঙে ফেলা হচ্ছে। সামার হোল্ডিংস প্রাইভেট লিমিটেডের নামক একটি প্রতিষ্ঠান সিডিএ থেকে ১০ তলার অনুমোদন নিয়ে অবৈধ ও বেআইনিভাবে ‘সামার এয়াকুব টাওয়ার’ নামে ভবনটির ১৪ তলা পর্যন্ত নির্মাণ করে।আদালত জাল জালিয়াতির অভিযোগে সামার হোল্ডিংস প্রাইভেট লিমিটেডের স্বত্বাধিকারী মোঃ জানে আলমকে ১০ লক্ষ টাকা জরিমানাসহ ফৌজদারী কার্যবিধি অনুযায়ী শাস্তির নির্দেশ দিয়েছিল। সুপ্রিম কোর্টের হাই কোর্ট ডিভিশন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) কে নির্দেশ দেন ভবনের অবৈধ অংশটি ভেঙ্গে ফেলার। গত ৭ জুন ‘সামার এয়াকুব টাওয়ায়ের বহুতল ভবনে ভ্রাম্যমাণ আদালত উচ্ছেদ অভিযান চালায়। এ সময় নিচতলার গাড়ি রাখার জায়গায় তৈরি দোকান ও ডুপ্লেক্স ঘরও গুঁড়িয়ে দেওয়া কাজ শুরু করলে বিকালে ভবন মালিক জানে আলম একটি স্থগিতাদেশ নিয়ে আসলে অভিযান থেমে যায়। পরবর্তী সময়ে আলাদতের নিকট উপযুক্ত তথ্য প্রমাণ স্থাপন করতে ব্যর্থ হওয়ায় এই স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়া হয় এবং আজ থেকে আবারও অভিযান শুরু হয়েছে।

উল্লেখ্য চাটগাঁইয়া ভাষার প্রথম অনলাইন টিভি চ্যানেল সিপ্লাসটিভি এই অবৈধ ভবন নির্মাণের বিরুদ্ধে জন স্বার্থ বিবেচনায় ২০১৯ সালের আগস্ট মাস থেকে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

অভিযান কালে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের শতাধিক সদস্য এবং ৩০ জন শ্রমিক অংশ নেন। অবৈধ অংশ ভাঙার কাজ শেষ হওয়া অবদি অভিযান চলমান থাকবে।