নিউজটি শেয়ার করুন

শেষ ওভারের নাটকীয়তায় জিতলো আবাহনী

সিপ্লাস ডেস্ক: ৬৪ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের বিপক্ষে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছিল আবাহনী লিমিটেড। সেখান থেকে আফিফ হোসেন ধ্রুবকে সঙ্গে নিয়ে দলকে টেনে তুলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। শেষ দিকে আফিফ ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনকে টানা বলে আউট করে গাজী গ্রুপকে ম্যাচে ফেরানোর আভাস দিয়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ৪৯ বলে ৫৮ রানের ইনিংস খেলে শান্ত ফেরার পর শেষ ওভারের জয়ের জন্য আবাহনীর প্রয়োজন ছিল ৮ রান। তখন ক্রিজে ছিলেন মেহেদি হাসান রানা ও তানজিম হাসান সাকিব। শেষ ওভারের প্রথম বলে সাকিব সিঙ্গেল নিয়ে রানাকে স্ট্রাইক দিলে দ্বিতীয় বলে ৪ মেরে ম্যাচ হাতের মুঠোতে আনেন তিনি। তবে তৃতীয় বলে দুই রান নিতে গিয়ে রান আউটে হয়ে ফিরতে হয় রানাকে। এরপর শেষ তিন বলে আবাহনীর প্রয়োজন ছিল ৩ রান। চতুর্থ বলে সিঙ্গেল নেয়ার পর পঞ্চম বলে দুই রান নিয়ে শেষ উইকেটে দলে জয় নিশ্চিত করেন সাকিব। ফলে গাজী গ্রুপকে ১ উইকেটে হারিয়ে ডিপিএলের সুপার লিগের টানা দুই ম্যাচে জয় পেলো আবাহনী।

জয়ের জন্য ১৩১ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরু থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে আবাহনী। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে নাসুম আহমেদের বলে সৌম্য সরকারের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন মুনিম শাহরিয়ার। ডানহাতি এই ওপেনার এদিন ফিরেছেন শূন্য রানে।

এদিকে শেখ মেহেদি হাসানের প্রথম বলে চার মেরে ইনিংস শুরু করলেও বড় রান তুলতে পারেননি লিটন দাস। ইনজুরি কাটিয়ে সদ্যই ফেরা ডানহাতি এই ওপেনার সাজঘরে ফিরেছেন ১৭ বলে ২২ রান করে। মাহমুদউল্লাহর হাতে ক্যাচ বানিয়ে ডানহাতি এই ব্যাটসম্যানকে ফেরান মেহেদি। মুশফিকুর রহিম থিতু হলেও এদিন বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। ১৬ বলে ১২ রান করে মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধর বলে আকবর আলির হাতে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নের পথে হাঁটেন দলটির অধিনায়ক মুশফিক। মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতও এদিন ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন।

মুশফিকের মতো একইভাবে মুকিদুলের বল খোঁচা দিতে গিয়ে আকবরের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হয়েছেন মোসাদ্দেক। নাইম শেখও ছিলেন ব্যর্থ। মেহেদির বলে বোল্ড আউট হওয়ার আগে বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান করেছেন ৪ বলে ২ রান। এর আগে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ বল বাকি থাকতেই ১৩০ রানে গুটিয়ে যায় গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স। দলটির হয়ে সৌম্য ৩০, জাকির হোসেন ২৭ ও মুমিনুল হক করেছেন ২৫ রান। আবাহনীর হয়ে ১৮ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন সাইফউদ্দিন।