নিউজটি শেয়ার করুন

রামুর প্লাবিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি কমল

হাবিবুর রহমান সোহেল,রামু: কক্সবাজারের রামুতে টানা ৩দিনের প্রবল বর্ষণের ফলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।পানিবন্দী হয়ে পড়েছে হাজার হাজার মানুষের বসত বাড়ি ।টানা বৃষ্টিতে রামুর বাঁকখালী নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় রামু-নাইক্ষ্যংছড়ি সড়ক, রামু-মরিচ্যাসড়ক,পানের ছড়া ঢালা ধ্বসের কারণে ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়ক,রামু-মনিরঝিল সড়কসহ গ্রামের সড়কগুলো প্লাবিত হওয়ায় যান চলাচল বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

এক দিকে কঠোর লকডাউন অন্যদিকে বন্যার কারণে জনজীবন হয়ে পড়েছে বিপর্যস্ত ও দূর্ভোগ।

বুধবার (২৮ জুলাই)সকালে কক্সবাজার (সদর-রামু)-৩ আসনের এমপি আলহাজ্ব সাইমুম সরওয়ার কমল রামু-মরিচ্যা সড়ক পরিদর্শন করে জানান,বাঁকখালী নদীর পানি প্রবল বেড়ে যাওয়ায় রামু-সদরসহ প্রত্যন্ত অঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথ বেড়িবাঁধ সংস্কার করা হবে।আর পানিবন্দী লোকজনের কাছে রান্নাকরা খাবার পৌঁছে দেওয়া হবে বলে জানান।

কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু মো. ইসমাইল নোমান জানান ইউনিয়নের অনেক গ্রাম এখন পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। ঝূঁকিপূর্ণ স্থান থেকে লোকজনকে উদ্ধার করে আশ্রয় কেন্দ্রে নেয়া হচ্ছে।

এছাড়া জুমছড়ি,পোয়াংখিল,ক্যাজরবিল,নাপিতের চরসহ অনেক বসত ঘর পানিবন্দী রয়েছে। কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের মোস্তাক চেয়ারম্যান জানান,তাঁর এলাকার ফরেস্ট অফিস,গাছুপাড়া,মনিরঝিল এলাকার অনেক ঘরবাড়ী পানিবন্দী রয়েছে। এসব এলাকায় আমি খাবার বিতরণ করেছি।

রাজারকুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুফিজুর রহমান জানান,ইউনিয়নের ধরপাড়া, হালদারকুল সহ কয়েকটি গ্রামে শতাধিক বসত ঘর প্লাবিত হয়েছে।

দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইউনুছ ভূট্টো জানান-ইউনিয়নের সিকদারপাড়া, চরপাড়া, উমখালী গ্রামে ২ শতাধিক পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়ন পশ্চিম নোনাছড়ি নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রণয় চাকমা জানান-গর্জনিয়া, কচ্ছপিয়া সহ বিভিন্ন ইউনিয়নে পানিবন্দী লোকজনকে উদ্ধারের পাশাপাশি খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে।