নিউজটি শেয়ার করুন

রামুতে ৪ করোনা রোগী বাড়ি ফিরছেন

হাবিবুর রহমান সোহেল,রামু:রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৫০ শয্যার  আইসোলেশন ইউনিটে চিকিৎসা শেষে প্রথম বারের মতো ৪ জন করোনা রোগী সুস্থ হয়েছেন।

তাদের ৩ জন মহেশখালীর ১ জন টেকনাফের।

আজ ৬ এপ্রিল সাড়ে ৫ টায় এই চার রোগীকে ফুল দিয়ে বিদায় দেন রামু উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কতৃপক্ষ। খবর পেয়ে চিকিৎসক এবং করোনা জয়ি হওয়া ব্যক্তিদের শুভেচ্ছা জানাতে হাসপাতালে ছুটে আসেন রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রণয় চাকমা।

তিনি চিকিৎসক এবং কতৃপক্ষের মাধ্যমে করোনা জয়ি হওয়া ব্যক্তিদের কাছে শুভেচ্ছা স্বরুপ কিছু উপহার প্রদান করেন।

বিষয়টি প্রতিবেদকের কাছে নিশ্চিত করেছেন রামু উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নোবেল কুমার বড়ুয়া।

জানা যায় , ৫ মে (মঙ্গলবার) তৃতীয় বারের পরিক্ষার রিপোর্টে রামুর আইসোলেশন ইউনিটে চিকিৎসাধীন ৪ জনের করোনা নেগেটিভ আসে। আরো এক দিন পর্যবেক্ষনে রাখার পরে তাদের শরীরে কোন উপসর্গ না থাকায় আজ ৬ মে (বুধবার) তাদেরকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়।

ছাড়পত্র প্রাপ্তরা হলেন মহেশখালী উপজেলার কালারমার ছরা ইউনিয়নের বড়ুয়া পাড়ার অঞ্জলি বড়ুয়া(৩৫) চাইল্ল্যাতলীর হোছাইন সাব্বির (৩০) হোয়ানক ইউনিয়নের ডেল্যার ঘোনার হেলাল উদ্দিন (২৮) এবং টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্ষ্যং ইউনিয়নের খারাইঙ্গাঘোনা তাবলীগ ফেরত মোহাম্মদ ইদ্রিস (৪২)।

আজ বিকেল সাড়ে ৫ টায় তাদেরকে ফুল দিয়ে বিদায় জানানো হয়। বিদায়কালে রামুর আইসোলেশন ইউনিট ব্যবস্থাপনা কমিটির আহবায়ক ডা. আলী ইহসান, সদস্য সচিব তা. নোবেল কুমার বড়ুয়া, কর্তব্যরত ডাক্তার, নার্সরা উপস্থিত ছিলেন।ছাড়পত্র প্রাপ্তদের হাসপাতালের গাড়ি দিয়ে বাড়ি পৌঁছার ব্যবস্থা করেন কতৃপক্ষ।

রামু উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নোবেল কুমার বড়ুয়া বলেন, ছাড়পত্র প্রাপ্তদের বাড়ি ফিরে গিয়ে ১৪ দিন কোয়ারান্টাইনে থাকতে হবে।তাদের আমরা কিছু নির্দেশনা দিয়েছি সেই অনুসারে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবে।এরপরও যদি কোন সমস্যা দেখা দেয় তাহলে নিকটস্থ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।স্ব স্ব উপজেলার আমাদের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারাও তাদের তদারকি করবেন।

তিনি আরো বলেন,কারো করোনা উপসর্গ দেখা দিলে তথ্য গোপন না করে আমাদের স্বাস্থ্যকর্মীর সাথে যোগাযোগ করবেন। সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলারও অনুরোধ করেন তিনি।

গত ২৪ এপ্রিল থেকে আজ পর্যন্ত রামুর আইসোলেশন ইউনিটে রোগী ছিল ২৫ জন। প্রথম বারের মতো ছাড়পত্র পেলো ৪ জন। বর্তমানে রোগী আছে ২১ জন। তাদের মধ্যে আরো ৬ জনের প্রাথমিক রিপোর্টে করোনা নেগেটিভ এসেছে। তৃতীয় পরিক্ষার রিপোর্ট যদি নেগেটিভ আাসে তাহলে তাদেরকেও নিয়মতান্ত্রিক ভাবে ছাড়পত্র দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল কতৃপক্ষ।