নিউজটি শেয়ার করুন

মাতারবাড়ী কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্পের বৈর্জ্য ফেলা হচ্ছে সড়কের পাশে দারাখালে: বিপন্ন হচ্ছে পরিবেশ

মহেশখালী উপজেলার

এ.এম হোবাইব সজীব, মহেশখালী: মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ী সড়কের দারাখাল ব্রীজ এর পশ্চিমে তাপ ভিত্তিক কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পের বৈর্জ্য ফেলায় বাতাসে দুগন্ধ ছড়ানোর কারণে জনসাধারণে চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

অপরদিকে হয়ে বৈর্জ্য গুলো পানির স্রোতে সরাসরি চলে যাচ্ছে। কোহেলিয়া নদীতে। পরিবেশ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তা দেখে ও না দেখার ভান করে থাকায় মাতারবাড়ী সহ উপকূলীয় অঞ্চলের পরিবেশ দিন দিন মারাত্বক বিপন্ন হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মহেশখালী পরিবেশে আন্দোলন (বাপার) সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর ছিদ্দিক।

জানাযায়, কালারমারছড়া -মাতারবাড়ী সংযোগ সড়কের দারাখাল লাগোয়ায় বৈর্জের ডিপু দেখে অনেকে ক্যামরাবন্ধী করেন। তা দেখে সচেতন মহল ও গণমাধ্যম কর্মীদের মধ্যে পড়ে যায় হৈ-চৈ। তদন্ত করতে গিয়ে যে সব বৈর্জ্য ফেলানো হয়েছে তা আন্তর্জাতিক ঠিকাদারী প্রতিষ্টান সুমিতোমুর। সুমিতোমুর সাব-ঠিকাদার হিসেবে কাজ করছে ট্রিপগার্ড। উক্ত সাব ঠিকাদারের প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন কামাল এন্টারপ্রাইজ নামের একটি প্রতিষ্টান।

কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, মাতারবাড়ী বাংলা বাজারের বাসিন্দা কামাল এন্টার প্রাইজ ওরফে (কামালের) নেতৃত্বে এসব বৈর্জ্য ফেলার জন্য চকরিয়া পৌরসভার সাথে চুক্তি না করায় এ প্রতিষ্টানের সমস্ত বৈর্জ্য মাতারবাড়ী সহ আশে-পাশের কোহেলিয়া নদীসহ বিভিন্ন স্থানে যত্রতত্র ভাবে ফেলে আসছেন রাত পোহালেই। যার কারণে পরিবেশ বিপন্ন হচ্ছে দিন দিন।

এ বিষয়ে ট্রিপগার্ড মাতারবাড়ী প্রকল্পে দায়িত্বরত সেফটি অফিসার রানা থেকে জানতে চাইলে তিনি কোন সুদুর উত্তর না দিয়ে কৌশেলে এড়িয়ে যান। কামাল এন্টারপ্রাইজের মালিক কামাল বলেন, পরিবেশ তার হাতের মোটুরমধ্যে।

অপরদিকে চকরিয়া পৌরসভায় কর্মরত এক অফিসার থেকে জানতে চাইলে তিনি বলেন,বৈর্জ্য অপসারণের জন্য কয়েকটি এন্টার প্রাইজ থাকলে ও তাদের সাথে চুক্তি করে প্রকল্পের বৈর্জ্য ফেলছেন অরবি এন্টার প্রাইজ ও গিয়াস উদ্দীন এন্টার প্রাইজ। মাতারবাড়ী কোলপাওয়ার লিমিটেড এন জে বি সি’র প্রকল্পের প্রধান সানাউল্লাহ কাপি বলেন,সড়কে আবর্জনা ফেলার বিষয়ে শুনেছি এ ব্যাপারে কামাল এন্টার প্রাইজে বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।