নিউজটি শেয়ার করুন

বিয়ের খবরে দাদি কাটলেন প্রেমিক নাতির ‘বিশেষ অঙ্গ’

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় প্রেমিক নাতির বিয়ের খবরে ক্ষিপ্ত হয়ে রাতে ঘরে ডেকে নিয়ে লিঙ্গ কেটে দিল দাদি।

সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাতে ঘটনাটি ঘটেছে আলমডাঙ্গা উপজেলার পাইকপাড়া গ্রামে। রাতেই গুরুতর রক্তাক্ত অবস্থায় নাতি মানিককে (২৭) আলমডাঙ্গা শহরের শেফা ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। আহত মানিক পাইকপাড়া গ্রামের আলমঙ্গীর আলীর ছেলে। 

কাটা লিঙ্গে ৮টি সেলাই দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকালে আলমডাঙ্গা থেকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোন মামলা হয়নি।

এলাকা সূত্রে জানা গেছে, আলমডাঙ্গা উপজেলার পাইকপাড়া গ্রামের সাজ্জাদ আলী দুই সন্তান ও স্ত্রী শখের বানুকে (৩০) রেখে গত ১১ মাস আগে বিদেশ যায়। এই সুযোগে স্ত্রী শখের বানু প্রতিবেশী নাতি সম্পর্কের যুবক মানিকের (২৭) সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। সেই সম্পর্ক থেকে শারীরিক সম্পর্কে রূপ নেয়।

এরই মধ্যে অবিবাহিত প্রেমিক নাতি মানিকের বিয়ে দিনক্ষণ ঠিক হয়। মানিকের বাড়িতে চলছে বিয়ের সকল আয়োজন। সে বিয়েতে পূর্ণাঙ্গ সায় ছিল প্রেমিক নাতির। এতে রাগে-ক্ষোভে উন্মত্ত হয়ে পড়ে দাদি। হঠাৎ গত ১৬ সেপ্টেম্বর দিনগত রাতে দাদি প্রেমিক নাতিকে তার ঘরে মোবাইল ফোনে ডেকে নেন শারীরিক সম্পর্ক করার জন্য।

পরে উত্তেজিত অবস্থায় দাদি লুকিয়ে রাখা ব্লেড দিয়ে প্রেমিক নাতির লিঙ্গ কেটে দেন। এতে গুরুতর জখম হন প্রেমিক নাতি। তার অবস্থা বেগতিক হলে চিকিৎসার জন্য আলমডাঙ্গা শেফা ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। 
ক্লিনিক সূত্রে জানা যায় যে কর্তিত লিঙ্গে মোট আটটি সেলাই দিতে হয়েছে। ঘটনাটি এখন এলাকার ছোট বড় হাটবাজার ও মোড়ের চায়ের দোকানে মুখরোচক কাহিনীর উৎস পরিণত হয়েছে।

অতিরিক্ত রক্ত ক্ষরণের কারণে মানিকের অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে রেফার করেন।

আলমডাঙ্গা থানার ওসি আসাদুজ্জামান মুন্সি জানান, বিষয়টি আমি শুনেছি। কেউ এ ব্যাপারে কোন অভিযোগ করেনি।