নিউজটি শেয়ার করুন

বন কর্মকর্তাদের শ্রমে সামাজিক বনায়নে সবুজয়ান মহেশখালী পাহাড়, ডানা মেলেছে গাছের পাতা

হোবাইব সজীব,মহেশখালী: দেশে বৃক্ষসম্পদ বৃদ্ধি ও পরিবেশ উন্নয়নের জন্য সমাজের সর্বস্তরের জনগণকে সম্পৃক্ত করে প্রতিবছর দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান পালন করা হয় মহেশখালীতে। এর ফলে একদিকে জনসচেতনতা তৈরি হচ্ছে অন্যদিকে দেশের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে গাছ লাগিয়ে নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন করছে। আর সবুজের সমারোহ হয়ে ডানা মেলেছে রোপিত গাছের পাতা। এতে শুধু যে জনগণের ভাগ্যই পরিবর্তিত হচ্ছে তা নয়, দেশের পরিবেশ উন্নয়নেও এ বৃক্ষরাজি বিরাট ভূমিকা রাখছে বলে জানাগেছে।

বৃক্ষরোপণ ও বনায়নে সাধারণ ও দরিদ্র মানুষকে সম্পৃক্ত করার জন্য সামাজিক বনায়ন সরকারের একটি মহৎ উদ্যোগ। এদিকে বনভূমির ভারসাম্য রক্ষায় সামাজিক বনায়ন কর্মসূচির আওতায় “বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে বাস্তবায়িত ‘সুফল’ প্রকল্পের আওতায় সফল বনায়নে দেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ মহেশখালীর পাহাড় সবুজায়নে ভরে উঠেছে।

টেকসই বন ও জীবিকা (সুফল) প্রকল্পের আওতায় এই বনায়ন করা হয়েছে।

জানাগেছে, চট্টগ্রাম উপকূলীয় বন বিভাগ এর অধীনস্থ মহেশখালী রেঞ্জের শাপলাপুর,দিনেশপুর, মুদিরছড়া, কেরুনতলী ও কালারমারছড়া বিটে টেকসই বন ও জীবিকা (সুফল) প্রকল্প এর আওতায় ২০১৯-২০ ও ২০২০-২১ অর্থ বছরে মিশ্র প্রজাতির দ্রুত বর্ধনশীল বাগান,ধীর বর্ধনশীল বাগান, এনরিচমেন্ট বাগান,ষ্ট্যান্ড ইম্প্রুভমেন্ট বাগান, এএনআর বাগান, বেত বাগান ও বাঁশ বাগান সহ সাত ধরনের বাগান সৃজন করা হয়েছে।

রবিবার (১৮ জুলাই) সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, এই উপজেলায় পাহাড় সবুজাভ সৃষ্টির মাধ্যমে প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা,জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুপ হ্রাস,জীব বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবিকার উৎস হিসেবে বন বিভাগের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। বৃক্ষের পরির্চয়ায় বনকর্মীরা অবহেলা না করে নিজেদের পরিবারের সম্পদের মত কাজ করায় তাঁদের কর্মে বনপ্রেমি ও সাধারণ মানুষ প্রশংসা করেছেন।

মহেশখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা অভিজিত বড়ুয়া বলেন, বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে টেকসই বন ও জীবিকা (সুফল) প্রকল্পের আওতায় এই বনায়ন করা হয়েছে। আর পাহাড়ী এলাকায় সফল বনায়নের ফলে সবুজয়ান হচ্ছে।