নিউজটি শেয়ার করুন

বঙ্গবন্ধু নামাকরণের নেপথ্যে ইতিহাস শীর্ষক এলবাম প্রধানমন্ত্রী কাছে হস্তান্তর

বঙ্গবন্ধু উপাধির প্রণেতা মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল হক চৌধুরী মুশতাক ‘বঙ্গবন্ধু নামাকরণের নেপথ্যে ইতিহাস ‘ শীর্ষক এলবামটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে তুলে দিয়েছেন।

গত ৩ মার্চ গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর হাতে তিনি এলবামটি তুলে দেন। এসময় প্রধানমন্ত্রী প্রয়োজনীয় সংযোজন ও বিয়োজন করে বই আকারে এলবামটি প্রকাশের পরামর্শ দেন। এলবামটিতে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় অভিযুক্ত শেখ মুজিবুর রহমানকে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের সামরিক আদালতে দেখতে যাওয়ার পাস, বঙ্গবন্ধু উপাধি নিয়ে লিখিত প্রথম প্রবন্ধসহ বিভিন্ন ডকুমেন্ট রয়েছে।

উল্লেখ্য, ১৯৬৮ সালে ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের বুলেটিনে শেখ মুজিবের জন্য ‘বঙ্গবন্ধু’ বিশেষণটি ছাপার অক্ষরে প্রথম লিখেছিলেন রেজাউল হক চৌধুরী মুশতাক। তিনি ওই সময় ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর বড় ছেলে শেখ কামালের সহপাঠী রেজাউল হক চৌধুরী মুশতাক ১৯৬৮ সালের ৮ আগস্ট আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা চলাকালীন সময়ে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের সামরিক আদালতে বঙ্গবন্ধুকে দেখতে যান। সেইদিন থেকে তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের জন্য একটি অর্থবহ উপাধি রচনার কথা চিন্তা করেন। পরবর্তীতে প্রচলিত বিভিন্ন উপাধির পাশাপাশি বঙ্গবন্ধু উপাধিটি তিনি রচনা করেন। এই উপাধিটি তৎকালীন কেন্দ্রীয় ছাত্রনেতাদের কাছে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা পায় । পরবর্তীতে ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান)ছাত্র জনতার গণসংবর্ধনায় বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ হিসেবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন ওই সময়ের ডাকসুর সহসভাপতি তোফায়েল আহমদ। কিন্তু ঐতিহাসিক উপাধিটি যাঁর চিন্তার ফসল তিনি হলেন চট্টগ্রাম সমিতি- ঢাকার সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার ভিংরোল গ্রামের সন্তান রেজাউল হক চৌধুরী মুশতাক।