নিউজটি শেয়ার করুন

ফটিকছড়িতে ৬ শত ভূমিহীন পরিবারকে ঘর দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

ফটিকছড়ি প্রতিনিধি: মুজিব শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে ফটিকছড়ি উপজেলায় ৬০০টি “ক” শ্রেণির ভূমিহীন পরিবারের মাঝে গৃহ হস্তান্তর করা হবে। প্রথম পর্যায়ের ৭০ টি পরিবারের মাঝে আগামী ২৩ জানুয়ারী গৃহ হস্তান্তর করা হবে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যমে সারাদেশ ব্যাপী গৃহগুলোর শুভ উদ্বোধন করবেন।

ফটিকছড়ি উপজেলা পরিষদের বীর মুক্তিযোদ্ধা জহুরুল হক সম্মেলন কক্ষে ভিডিও কনফারেন্স এ যুক্ত হবেন ফটিকছড়ির থেকে নির্বাচন এমপি ও বাংলাদেশ ত্বরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী এমপি, মহিলা এমপি খাদিজাতুল আনোয়ার সনি, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হোসাইন মোহাম্মদ আবু তৈয়্যব, চেয়ারম্যান, ফটিকছড়ি উপজেলা পরিষদ সহ রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গরা।

ফটিকছড়ি উপজেলায় প্রথম পর্যায়ে পাইন্দং, সুয়াবিল, ভূজপুর এবং কাঞ্চননগর ইউনিয়ন এ ৭০টি গৃহ নির্মাণ করা হচ্ছে। এরমধ্যে পাইন্দং এ ২৬, কাঞ্চননগর এ ১০, সুয়াবিল ২২ এবং ভূজপুরে ১২ টি গৃহ নির্মাণ করা হচ্ছে। দ্বিতীয় পর্যায়ে ফটিকছড়ি পৌরসভায় ৭৫,খিরামে ১০০, পাইন্দং এ ১৯৯, ভূজপুরে ৮৮,সুয়াবিল ১৩, নারায়ণহাটে ১০, বাগানবাজারে ৩০ ধর্মপুর ১৫ সহ সর্বমোট ৫৩০ টি গৃহ নির্মাণ এর কাজ চলমান রয়েছে।

নির্মিত ও নির্মাণাধীন ঘরসমূহে সমগ্র ফটিকছড়ি উপজেলা হতে “ক” শ্রেণির ভূমিহীনদের পুনর্বাসন করা হবে। উক্ত ঘরসমূহ খাস জমিতে নির্মাণ করা হচ্ছে। এ উপলক্ষে ইতোমধ্যে ৩২.৫৬ একর খাস জমি অবৈধ দখলদারদের থেকে উদ্ধার করা হয়। ইউনিয়ন ও পৌরসভা পর্যায় হতে জনপ্রতিনিধিদের পাঠানো তালিকা কঠোর ভাবে মূল্যায়ন ও সঠিকতা যাচাইপূর্বক “ক” শ্রেণির ভূমিহীন তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে।

উক্ত তালিকা হতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ৬০০টি ভূমিহীন পরিবারকে পুনর্বাসন করা হচ্ছে। প্রত্যেক গৃহ নির্মাণ বাবদ ১,৭১,০০০ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। উপকারভোগীদের জন্য সুপেয় পানির সরবরাহ নিশ্চিতকল্পে প্রকল্প স্থানে প্রয়োজনীয় সংখ্যক গভীর নলকূপ ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সহায়তায় বিদ্যুৎ এর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। কমিউনিটি স্থাপনের নিত্যপ্রয়োজনীয় অনুসঙ্গ- মসজিদ/ধর্মীয় স্থান, কবরস্থান, বিদ্যালয় ও খেলার মাঠের জন্য প্রকল্পস্থলে আলাদা আলাদা জায়গা রাখা হচ্ছে। প্রকল্পস্থলে যাতায়াত ব্যবস্থা সুগম রাখার জন্য উপজেলা পরিষদের উদ্যোগে রাস্তা নির্মাণের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।

আগামী এপ্রিল ২০২১ মাসের মধ্যে ৬০০ ঘর নির্মাণ কাজ শেষ করে উপকারভোগীদের মাঝে হস্তান্তর করা হবে বলে জানা গেছে।