নিউজটি শেয়ার করুন

ট্রানজিট যাত্রী নিয়ে চট্টগ্রাম সিলেট ও কক্সবাজারে যাবে বিমান

ট্রানজিট যাত্রী নিয়ে চট্টগ্রাম সিলেট ও কক্সবাজারে যাবে বিমান

সিপ্লাস ডেস্ক: করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে কঠোর লকডাউনে আন্তর্জাতিক ট্রানজিট যাত্রী পরিবহনে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, সিলেট ও কক্সবাজারে স্বল্প সংখ্যক ফ্লাইট পরিচালনা করবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।

বুধবার(৩০ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রাষ্ট্রায়ত্ত এয়ারলাইন্সটি জানায়, করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে সরকারের বিধিনিষেধের আওতায় বিমান বাংলাদেশ আগামী ১ থেকে ৭ই জুলাই পর্যন্ত সব অভ্যন্তরীণ রুটের ফ্লাইট বাতিল ঘোষণা করছে।

তবে শুধু আন্তর্জাতিক ট্রানজিট যাত্রী পরিবহনে এই তিন গন্তব্যে স্বল্প সংখ্যক ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে।

এতে আরও জানানো হয়, এই ফ্লাইটগুলোতে শুধু বিমানের টিকেটধারী আন্তর্জাতিক গন্তব্যের যাত্রীরাই ভ্রমণের সুযোগ পাবেন।

এছাড়াও ১ থেকে ৭ জুলাইয়ের মধ্যে বাতিল করা ফ্লাইটগুলোর টিকেটধারী যাত্রীরা তাদের টিকেটের মাধ্যমে কোনো প্রকার অতিরিক্ত চার্জ দেওয়া ছাড়াই পরে বিমানের আসন খালি থাকা সাপেক্ষে ভ্রমণের সুযোগ পাবেন বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

মহামারীর বিস্তার রোধে সরকারের দেওয়া কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে দেশের অভ্যন্তরীণ রুটে ১ থেকে ৭ জুলাই ফ্লাইট চলাচল বন্ধ থাকবে বলে বুধবার বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) এক প্রজ্ঞাপনে জানিয়েছে।

তবে ত্রাণ ও চিকিৎসা কাজে ব্যবহৃত ফ্লাইট ও কার্গো ফ্লাইট নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে।

‘সীমিত লকডাউনে’এতদিন সড়ক, নৌ ও রেলপথ বন্ধ থাকলেও অভ্যন্তরীণ রুটে চলাচলের জন্য আকাশপথ খোলা ছিল। এবার কঠোর বিধিনিষেধে সেই সুযোগ আর রাখা হয়নি।

এর আগে সরকারের দেওয়া বিধি নিষেধগুলোতে প্রবাসী কর্মীদের যাতায়াতের বিষয়টিকে বিবেচনায় নিয়ে অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট চালু রেখেছিল বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। যদিও এবার অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট বন্ধের নির্দেশ এলেও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু থাকছে।

বুধবার সরকারের জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, প্রবাসী কর্মীরা ফ্লাইটের টিকেট দেখিয়ে গাড়ি ব্যাবহার করে বিধি নিষেধের মধ্যে চলাচল করতে পারবেন।

দেশে মহামারী শুরু হওয়ার পর গত বছরের মার্চে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক সব রুটে ফ্লাইট চলাচল স্থগিত করেছিল বেবিচক। জুলাই থেকে ধীরে ধীরে খুলতে শুরু করে আকাশপথ।

এ বছর সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হলে ৫ এপ্রিল থেকে নানা বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।

সেসময় আন্তঃজেলা পরিবহনগুলোর মতে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট চলাচলও বন্ধ করা হয়। পরে ২১ এপ্রিল থেকে আবারও সীমিত পরিসরে অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট চলাচলের অনুমতি দেয় বেবিচক।