নিউজটি শেয়ার করুন

টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ড্রোনের মাধ্যমে ডাকাতের আস্তানা সনাক্ত করে ধ্বংস করলো র‌্যাব

টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্প গুলোর আশপাশে পাহাড় এলাকায় ড্রোন উড়িয়ে ডাকাতের আস্তানা সনাক্ত করে এবং কয়েটি আস্তানা ধ্বংস করে দিয়েছে র‌্যাব-১৫ সদস্যরা।

ডাকাতরা দলের সদস্যরা ডাকাতি, অপহরণ, ধর্ষণ, ছিনতাই, মাদকসহ বিভিন্ন অপকর্মের কাজে ব্যবহার করে থাকে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

শনিবার ভোর ৬টা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের নয়াপাড়া, শালবাগান ও জাদিমুরা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গুলোতে এসব অভিযান চালানো হয়।

র‌্যাব-১৫ সিপিসি-১ টেকনাফ ক্যাম্পের ইনর্চাজ লে. মির্জা শাহেদ মাহাতাব(এক্স)বিএন বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আশ পাশে পাহাড়ে ড্রোন দিয়ে গহীন পাহাড়ের ভেতরে ডাকাতের আস্তানার সন্ধান পায়। পরে সে সব আস্তানাগুলো ড্রোনের মাধ্যমে পাহাড়ে শনাক্ত করা হয়।

এরপর পাহাড়ে অভিযান চালিয়ে আস্তানা গুলো ধ্বংস করা হয়েছে। হাকিমসহ বাকি ডাকাতদের খোঁজা হচ্ছে।

এছাড়া বিভিন্ন সময় কয়েকজন ডাকাতকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। অন্যরা শিগগিরই ধরা পড়বে।

লে. মির্জা শাহেদ মাহাতাব(এক্স)বিএন আরো বলেন, টেকনাফের নয়াপাড়া, জাদিমুড়া ও শালবাগান রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ত্রাস ডাকাত মোহাম্মদ জকির, কালা সলিম, নুর কামাল, বুইল্লা, রাজ্জাক ও আমিনসহ তাদের গ্রুপের সদস্যরা পাহাড়ে আস্তানা গড়ে তুলেছেন। এদের সর্দার রোহিঙ্গা ডাকাত আবদুল হাকিম। তাদের ধরতে র‌্যাব এ অভিযান পরিচালনা করেছে। তাদের কয়েটি আস্তানা ধ্বংস করলেও কাউকে আটক করা যায়নি।

উল্লেখ্য , গত ২২ ফেব্রুয়ারী র‌্যাবের সাথে গোলাগুলিতে নয়াপাড়া শালবাগান ত্রাস কুখ্যাত রোহিঙ্গা ডাকাত সরদার এবং নয়াপাড়া রোহিঙ্গা আনসার ক্যাম্পের আনসার বাহিনীর ক্যাম্প কমান্ডার হত্যার আসামি নুর আলম প্রকাশ জুবাইর ডাকাত নিহত হয়।

শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) র‌্যাব-১৫ এর অধিনায়ক উইং কমান্ডার আজিম আহমেদের নেতৃত্বে র‌্যার ড্রোন নিয়ে টেকনাফের বাহারছড়া টইগ্যা পাহাড়সহ বেশ কয়েকটি দুর্গম পাহাড়ে অভিযান চালায়।