নিউজটি শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটি ভোট মার্চে হতে পারে: সিইসি

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচনাটি আগামী মার্চে হতে পারে বলে জানালেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা।

বুধবার চট্টগ্রাম আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা জানান।

নূরুল হুদা বলেন, “ঢাকার দুই সিটির সাথে নির্বাচন হলেও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সেবা পরে শুরু হয়েছিল। এজন্য ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি থেকে ১৮০ দিন গণনা শুরু হবে।

“আমার ধারণা মার্চ মাস হবে নির্বাচনের জন্য উপযুক্ত সময়। এপ্রিল মাসে রমজান আছে। মার্চ মাসে সম্ভবত পরীক্ষা বা অন্য কিছু নেই।”

আগামী মার্চ মাসকে নির্বাচনের জন্য উপযুক্ত সময় ভাবলেও অন্য কমিশনারদের সঙ্গে আলোচনা তারিখ ঠিক করা হবে বলে জানান সিইসি।

২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনে মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন।

সিইসি চট্টগ্রামের নির্বাচনী কর্মকর্তাদের সঙ্গে রোহিঙ্গাদের এনআইডি কার্ড পাওয়া ঠেকানো এবং চট্টগ্রাম-৮ আসনের উপ-নির্বাচন নিয়ে কথা বলেন।

সিইসি সাংবাদিকদের বলেন, “রোহিঙ্গাদের ভোটার নিবন্ধন প্রক্রিয়া কিভাবে বন্ধ করা যায়, তা নিয়ে মতবিনিময় করেছি, তাদের পরামর্শ নিয়েছি।

“রোহিঙ্গাদের ভোটার নিবন্ধন এবং জাতীয় পরিচয়পত্র দেয়া নিয়ে কিছুদিন ধরে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার এলাকায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে মামলা মোকাদ্দমা হয়েছে, কিছু কিছু গ্রেপ্তার হয়েছে। কেন এসব হয়েছে তা নিয়ে আলোচনা করেছি। সমস্যা সমাধানে কথা শুনেছি এবং পরামর্শ  দিয়েছি।”

রোহিঙ্গাদের এনআইডি পাওয়ার তদন্তে যারা দোষী সাব্যস্ত হবে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলেন সিইসি।

“এখানে যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদের অধিকাংশই আউটসোর্সিংয়ের স্টাফ। তারা এখানে কাজ করত এবং করতে গিয়ে ল্যাপটপ বা অন্যান্য জিনিসপত্র নিয়ে গিয়ে অবৈধ কাজ করেছে। অধিকাংশই শনাক্ত হয়েছে। আমাদের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এসেছে তা এখনো পর্যন্ত তদন্তে সত্যতা পাওয়া যায়নি।”

রোহিঙ্গাদের ভোটার করার ক্ষেত্রে কিছু জনপ্রতিনিধির সম্পৃক্ততা থাকতে পারে উল্লেখ করে সিইসি বলেন, “ভোটার নিবন্ধনের জন্য উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে যখন যায়, তখন জন্ম সনদ দেওয়ার ক্ষেত্রে কিছু ইউপি চেয়ারম্যান রোহিঙ্গা হওয়া সত্ত্বেও তাদের বাংলাদেশি সনদ প্রদান করার প্রমাণ পাওয়া গেছে।”

ইভিএম নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে নূরুল হুদা বলেন, “ইভিএম এ এতদিন যে নির্বাচন হয়েছে তাতে ভালো ফলাফল পাওয়া গেছে। আমাদের আস্থা আছে ইভিএম নির্বাচনে অনিয়ম হবে না।”

এসময় চট্টগ্রামের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাসানুজ্জামান, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুনির হোসেইন খান উপস্থিত ছিলেন।