নিউজটি শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দরে মিথ্যা ঘোষণায় আনা কসমেটিকসের চালান আটক

মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা ৪০ ফুট কনটেইনার ভর্তি কসমেটিকসের একটি চালান আটক করেছে কাস্টম হাউস কর্তৃপক্ষ।

গোপন সংবাদ থাকায় চালানটি খালাস প্রক্রিয়া আগেই বন্ধ (লক) করার পর মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ফোর্স কিপ ডাউনের মাধ্যমে কনটেইনারটি খোলা হয়।

এ সময় কার্টন ভর্তি বিভিন্ন ধরনের কসমেটিকস পাওয়া যায়। তবে কৌটা, বোতল, ক্রিম, তরল বিভিন্ন ধরনের কসমেটিকস থাকায় ইনভেন্ট্রি বা প্রাপ্ত পণ্যের তালিকা তৈরির কাজটি শেষ হয়নি।

কাস্টম হাউসের অডিট ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড রিসার্চ (এআইআর) শাখার সহকারী কমিশনার নুর এ হাসনা সানজিদা অনুসুয়া জানান, ঢাকার ৩৯১ শহীদ জননী জাহানারা ইমাম স্মরণীর ইসমাইল ম্যানশন সুপার মার্কেটের ঠিকানার ফাতেমা ইন্টারন্যাশনাল নামের এক আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের নামে থাইল্যান্ড থেকে এক কনটেইনার পণ্য আসে চট্টগ্রাম বন্দরে। চালানটি খালাসের দায়িত্বে ছিলো চট্টগ্রামের আগ্রাবাদের পানওয়ালাপাড়ার ওএসএল ট্রেড প্রাইভেট লিমিটেড। আমদানিকারকের পক্ষে কাস্টম হাউসে ২০১৯ সালের ২১ মে বিল অব এন্ট্রি (সি৮৩২১১৩) দাখিল করা হয়।

তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটির ঘোষণা ছিলো ওয়াশিং অ্যান্ড ক্লিনিং প্রিপারেশন (এক্সেল ডিটারজেন্ট)। কিন্তু কাস্টম হাউস কমিশনারের কাছে গোপন সংবাদ থাকায় চালানটি খালাস কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়। বন্দর, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টসহ সংশ্লিষ্টদের চিঠি দিয়ে মঙ্গলবার ফোর্স কিপ ডাউন করে কনটেইনারটি খোলা হয়। যাতে বিভিন্ন ব্রান্ডের কসমেটিকস সামগ্রী পাওয়া যায়।

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের ঘোষিত পণ্যের শুল্ক আসে ৫৮ শতাংশের মতো। কিন্তু কসমেটিকস সামগ্রীর শুল্কহার তার চেয়ে অনেক বেশি। প্রাপ্ত পণ্যের তালিকা তৈরির পর কী পরিমাণ শুল্ক ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে তা নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে। এরপর কাস্টমস আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।