নিউজটি শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে ঈদ আনন্দে বৃষ্টির বাগড়া

সিপ্লাস প্রতিবেদক: চট্টগ্রামে ঈদ আনন্দে বাগড়া বসিয়েছে বৃষ্টি। শুক্রবার ঈদের নামাজ শেষ হওয়ার আগে সকাল সাড়ে ৯টার দিক থেকে মুসলধারে বৃষ্টি শুরু হয়। সেই বৃষ্টি থামে দুপুর ১২টার পর।

ঈদের দিনের এই বৃষ্টিতে নগরীর জিইসি, এক্সেস রোড, মুরাদপুর, বহদ্দারহাটসহ বিভিন্ন এলাকায় জমে যায় পানি।  তবুও ঈদের আনন্দে শামিল হতে রাস্তায় আসা কিশোর-যুবক, বয়স্করা ভিজে আনন্দ উপভোগ করেন। জায়নামাজ মাথায় দিয়েও হয়নি শেষ রক্ষা।

জেলার রাউজান, রাঙ্গুনিয়া, হাটহাজারী, ফটিকছড়ি, সীতাকুন্ডসহ বিভিন্ন উপজেলায়ও হালকা বৃষ্টি হচ্ছে বলে আমাদের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন।

বৃষ্টিপাত শুরুর পূর্বে ঈদের জামাত শেষ হয়ে যাওয়ার এবং মসজিদে নামাজ হওয়ায় মুসল্লিদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়নি। করোনা পরিস্থিতির মধ্যে সবাই নিজ নিজ বাসায় থেকে বৃষ্টিস্নাত ঈদ উপভোগ করছেন।

চট্টগ্রামের পতেঙ্গাস্থ আবহাওয়া দপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, চট্টগ্রাম মহানগরী ও জেলার বিভিন্নস্থানে দিনভর হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশ উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্রবন্দরগুলোর ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সারাদিন আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকবে।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ উজ্জ্বল কান্তি পাল জানান, চট্টগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৭ দশমিক ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। মধ্যরাতে আবারও বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর ও নদীবন্দরে কোনও সতর্কতা সংকেত নেই।

এদিকে বৃষ্টিতে আগ্রাবাদ সিডিএ আবাসিক এলাকা, বহদ্দারহাট, মুরাদপুর, ষোলশহর দুই নম্বর গেইট, চকবাজার, খাতুনগঞ্জসহ অধিকাংশ নিম্নাঞ্চলের সড়ক ও অলিগলিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এসব এলাকার নিচতলার বাসা-বাড়ি ও দোকানপাটে পানি ঢুকে গেছে। কোনো কোনো সড়কে রিকশাভ্যানে যাত্রী পরিবহন করতে দেখা গেছে। শুক্রবার হওয়ায় জুমার নামাজ আদায় করতে মসজিদে যেতে বিড়ম্বনায় পড়েছেন মুসল্লিরা।