নিউজটি শেয়ার করুন

চকরিয়ায় ইয়াবা বেচাকেনার সময় পুলিশ কনস্টেবলসহ গ্রেপ্তার ২

ইয়াবা বড়ির লেনদেনকালে এসবি পুলিশের কনস্টেবেলসহ দুইজনকে আটক করেছে কক্সবাজারের চকরিয়া থানা পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১৯৫ পিস ইয়াবা ও নগদ সাড়ে ৩ লাখ টাকা এবং তিনটি মোবাইল সেট উদ্ধার করা হয়।

গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে চকরিয়া পৌরশহরের হাসপাতাল সড়কস্থ একটি আবাসিক হোটেলে থানার এসআই মাজাহারের নেতৃত্বে একদল পুলিশ এ অভিযান চালায়। আটক পুলিশ কনস্টেবল মো. মেহেদী হাসান অন্য অপরাধে ২০১৭ সালে চাকুরীচ্যুত হয় বলে নিশ্চিত করেন চকরিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) কাজী মো. মতিউল ইসলাম। আটক মেহেদী হাসান দিনাজপুর জেলার চিরিরবন্দর থানার তালপুকুর এলাকার আজিজা রহমানের ছেলে এবং অপর আটক ফয়েজ আহমদ ডাবু ঢাকার রামপুরার পূর্ব হাজিরপাড়া এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে। পুলিশ জানায় চকরিয়া পৌরশহরের একটি আবাসিক হোটেলে ইয়াবা বেচাকেনা হচ্ছে খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক অভিযান চালানো হয়। ওই সময় ওই হোটেলের একটি কক্ষ থেকে ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ মেহেদী ও ফয়েজ আটক করা হয়। পরে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়েরের পর তাদেরকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

সূত্র জানায় এসবির কনস্টেবল মেহেদী হাসান ২০১৭ সালে পুলিশ কনস্টেবল পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত হন। এরপর থেকে মেহেদী মাদক ব্যবসায় জড়ায়। তিনি প্রায় সময় কক্সবাজার থেকে মাদক নিয়ে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে আসছিলো। চকরিয়া থেকেও মাদক কিনতে এসে অবশেষে পুলিশের হাতে ধরা পড়ে মেহেদী।

চকরিয়া থানার অপারেশন অফিসার মো. রুহুল আমিন বলেন, আটককৃতদের মধ্যে ধৃত মেহেদী পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে নিজেকে এসবির কনস্টেবল ও ঢাকায় কর্মরত বলে দাবি করেন। আজ শনিবার সকালে তার স্ত্রী চকরিয়া থানায় এসে স্বামীকে সনাক্ত করেন। ওই সময় স্ত্রী বলেন আমার স্বামীর বাড়ি দিনাজপুর হলেও দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার রামপুরায় বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করছি। গত বৃহস্পতিবার আমার স্বামী ৫ লাখ টাকা নিয়ে মোটরসাইকেল কিনতে বাসা থেকে বের হয়। গতকাল শুক্রবার মধ্যরাতে খবর পাই চকরিয়া থানা পুলিশ আমার স্বামীকে আটক করেছে। খবর শোনে রাতেই বাসে উঠে সকালে চকরিয়া থানায় আসি। তার স্বামী বরখাস্ত অবস্থায় রয়েছে।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় থানার এসআই মাজহুরুল ইসলাম বাদী হয়ে মাদক আইন মামলা দায়ের করেছেন। গ্রেপ্তারকৃত দুজনকে আজ শনিবার আদালতে পাঠানো হয়েছে।