নিউজটি শেয়ার করুন

কোরবানির ঈদের ছুটিকে কেন্দ্র করে নগরীতে বেড়েছে চুরি!

কোরবানির ঈদের ছুটিকে কেন্দ্র করে নগরীতে বেড়েছে চুরি!

সাঈদুর রহমান সাকিব: এবারের ঈদের ছুটি আর কঠোর লকডাউনে পুরা শহর ফাঁকা হওয়ায় একে পর এক দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে নগরীর বিভিন্ন এলাকায়।

নিজ বাসায় যত্ন সহকারে মূলবান জিনিস রেখে প্রিয়জনের সাথে ঈদ উদযাপন করে বাসায় ফেরার পর দেখেন বাসা তছনছ করে জানালার গ্রিল কেটে দরজার তালা ভাঙা আর ঘরের ভেতর থাকা স্বর্ণালংকার নগদ টাকা-পয়সা, দামি শাড়িসহ মূল্যবান জিনিসপত্র সব নিয়ে চোর চক্র।

প্রসঙ্গত, ঈদের দিন বুধবার (২১ জুলাই) মধ্যে রাতে এমনই এক চুরির ঘটনা ঘটেছে নগরীর চান্দগাঁ থানাধীন সিএন্ড বি এলাকায় হারিচান্দ মাঝির বাড়ির আমেনা ভবনে। আমেনা বেগম কোরবানের আগেদিন রাতে মেয়ের বাড়িতে গিয়েছিল পশু কোরবানি দেওয়া উদ্দেশ্য করে পরদিন দুপুরে বাসায় এসে দেখে ঘরের দরজা ভেঙে নিয়ে যায় গহনা টাকা ও মূল্যবান জিনিসপত্র।

অন্যদিকে একই সময়ে নগরের কোতোয়ালী থানার পাথরঘাটা এলাকায় ঈদের ছুটিতে গ্রামের বাড়ি গিয়েছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর ২য় যুগ্ম দায়রা জজ আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) আল মামুন করিম। এ ফাঁকেই চোর হানা দিয়ে তাঁর ঘরের মালামাল লুট করে নেয়।

এরপরের দিন নগরীর কোতোয়ালি থানাধীন রহমতগঞ্জ এলাকায় আম্বিয়া ভবন নামে এক ভাড়াবাসায় ঈদের ছুটিতে গ্রামের বাড়ি গিয়েছিলেন চাপাখানার ব্যবসায়ী জামাল হোসেন। এ সুযোগে বাসা খালি পেয়ে জানালার গ্রিল কেটে তাঁর ঘরে ঢুকে নগদ টাকা আর স্বর্ণালঙ্কার লুট করা হয়। তবে একেরপর চুরির ঘটনা ঘটলেও এখনো ধরা পরেনি কোন চোর বা উদ্ধার হয়নি চোরাইকৃত কোন মালামাল।

এবিষয়ে সিএমপির (দক্ষিণ) উপ-কমিশনার বিজয় বসাক সিপ্লাসকে মুঠোফোনে জানান, প্রতি বছর ঈদের ছুটিরে কেন্দ্র করে নগর পুলিশের পক্ষ থেকে বিভিন্ন স্তরের ব্যবস্থা নেওয়া হয় তবুও থেমে নেই চুরির ঘটনা।