নিউজটি শেয়ার করুন

ওয়ানডের পর টি-টোয়েন্টি সিরিজও জিতল বাংলাদেশ

সিপ্লাস ডেস্ক: এবার ওয়ানডের পর টি-টোয়েন্টি সিরিজও জিম্বাবুয়েকে ৫ উইকেটে হারিয়ে জিতল বাংলাদেশ। হারারেতে রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে ১৯৪ রানের লক্ষ্যে পৌঁছেছে ৫ উইকেট আর ৪ বল হাতে রেখেই। তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে নিয়েছে ২-১ ব্যবধানে। একই সঙ্গে টি-টোয়েন্টিতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড গড়ল বাংলাদেশ।

রবিবার (২৫ জুলাই) সিরিজের শেষ তথা সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে টস হেরে ফিল্ডিংয়ে নামে বাংলাদেশ।

টস জিতে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৩ রান করে জিম্বাবুয়ে।

এভাবেই শেষ হয় ২২ বলে ৬ ছক্কায় চাকাভার ৪৮ রানের ইনিংস। যিনি নাসুমের এক ওভারে ৩টি সহ সাকিবের ওভারেও ছক্কা মেরেছেন। নাসুমের আগের ওভারে তো রিভার্স সুইপে ছক্কা মারেন তিনি! একই ওভারের পঞ্চম বলে অধিনায়ক সিকান্দার রাজাকে ফেরান সৌম্য। এই তারকা অল-রাউন্ডার দুই বল করে ‘ডাক’ মারেন। শেষ পর্যন্ত ওয়েসলি মাধেভেরে, রেগিস চাকাভা ও রায়ান বার্লের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৩ রানের পাহাড় গড়েছে জিম্বাবুয়ে।

বিশাল লক্ষ্য তাড়ায় নেমে দলীয় ২০ রানের মাথায় ওপেনার নাঈম শেখ সাজঘরে ফেরেন ৩ রান করে। বেশিক্ষণ খেলেতে পারেননি সাকিবও। ১৪ বলে ১ চার ২ ছক্কায় ২৫ রানের ছোট ক্যামিও খেলে তিনিও সাজঘরের দিকে হাঁটেন। তবে বিদায়ের আগে সৌম্যর সঙ্গে তার জুটিতে আসে ৩২ বলে গুরুত্বপূর্ণ ৫০ রান। এরপর মাহমুদউল্লাহকে নিয়ে লড়াই শুরু সৌম্য সরকারের।

শুরুটা ধীরগতির হলেও সময়ের সঙ্গে হাত খুলে খেলতে থাকেন সৌম্য। ৪০ বলে তুলে নেন ফিফটিও। এরপর দ্রুতগতিতে রান তুলতে গিয়ে লুক জঙওয়ের বলে লং অফে থাকা বদলি খেলোয়াড় মুসাকান্দার হাতে ক্যাচ তুলে দেন সৌম্য। তবে বিদায়ের আগে তিনি ৪৯ বলে ৯ চার ও ১ ছক্কায় খেলেন ৬৮ রানের দারুণ এক ইনিংস। রিয়াদের সঙ্গে গড়েন ৩৫ বলে ৬৩ রানের জুটি।

বাংলাদেশের ইনিংসের ১৫তম ওভারে আসে মাত্র ২ রান। মুজারাবনির করা ওভারের প্রথম দুই বলে সিঙ্গেল আসার পর ওই আর কোনো রান নিতে পারেননি মাহমুদউল্লাহ। পরের ওভারে ছক্কা হাঁকানোর পর ওয়েলিংটন মাসাকাদজার বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন আফিফ হোসেন। দুই ছক্কায় ৪ বলে ১৪ রান করেন এই বাঁহাতি।

আফিফের পর ক্রিজে নামা শামীম হোসেনকে নিয়ে লড়াই চালিয়ে যান মাহমুদউল্লাহ। দুজনে মিলে ১৭তম ওভারে ১২ রান তোলে ব্যবধান কমিয়ে আনেন দুজনে। শেষ ১৮ বলে দরকার ছিল ২৮ রান। ১৮তম ওভারে রিয়াদ সিঙ্গেল নেওয়ার পর শেষ তিন বলে তিন চার হাঁকান শামীম। ওভারে আসে ১৫ রান। ফলে শেষ দুই ওভারে লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৩ রান।

মুজারাবানির করা ইনিংসের ১৯তম ওভারেও শামীম ঝলকের দেখা মেলে। তরুণ এই ব্যাটসম্যান ওভারের দ্বিতীয় বলে বাউন্ডারি হাঁকান। কিন্তু চতুর্থ বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে বিদায় নেন মাহমুদউল্লাহ। টাইগার দলপতি ২৮ বলে ২ চার ও ১ ছক্কায় ৩৪ রান করেন।

শেষ ওভারে বাংলাদেশের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৫ রান। শামীম প্রথম বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে স্কোরে সমতা টানেন। পরের বলে সিঙ্গেল নিয়ে জয় নিশ্চিত করেন তিনি। শামীম মাত্র ১৫ বলে ৬ চারে ৩১ রানে অপরাজিত থাকেন।