নিউজটি শেয়ার করুন

এবারের কোরবানির পশুর চামড়া নিয়ে সংশ্লিষ্টদের ভাবনা (ভিডিও)

সিপ্লাস প্রতিবেদক: বাংলাদেশে সারা বছরের চামড়া চাহিদার অনেকটাই মিটে কোরবানির পশু থেকে। ঈদের ১০ থেকে ১৫ দিন পর পর্যন্ত চামড়া বেচাকেনা হয়ে থাকে।

কিন্তু গত কোরবানির ঈদে মৌসুমী ব্যবসায়ী ও আড়তদারেরা পশুর চামড়ার ন্যায্য মূল্য না পেয়ে ও সংরক্ষণের অভাবে চামড়াগুলো রাস্তায় রাস্তায় ফেলে চলে গিয়েছিল।

করোনা ভাইরাসের এই সময়ে এবারে কোরবানির ঈদে পশুর চামড়ার কি অবস্থা হবে সিপ্লাস জানতে চেয়েছিলো সংশ্লিষ্ট সবার কাছে।

এবারে চামড়া নিজেরা লবণ দিয়ে সংরক্ষণ করলে দামও পাবে ভাল, নষ্ট হওয়া থেকেও রক্ষা পাবে বলে মনে করছেন চট্টগ্রামের চামড়া সংশ্লিষ্টরা।

সোমবার( ১৯ জুলাই) এ কথা জানান সংশ্লিষ্টরা।

লবণ দিয়ে সংরক্ষণ করলে চামড়া ও নষ্ট হবেনা পাশাপাশি দামও ভাল পাবে মনে করছেন চসিকের বর্জ্য স্ট্যান্ডিং কমিটি সভাপতি ও কাউন্সিলর মোবারক আলী।

এবার চামড়া শিল্প বাঁচাতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বৃহত্তর চট্টগ্রাম কাঁচা চামড়া আড়তদার ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সহ-সভাপতি আব্দুল কাদের, সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদসহ দায়িত্ববানরা।

এবারে চামড়ার অবস্থা তেমন খারাপ হবেনা বলছেন চট্টগ্রামে একমাত্র ট্যানারি শিল্প রীফ লেদার লিমিটেডের পরিচালক মোখলেছুর রহমান।

চামড়া শিল্প রক্ষায় আগে থেকে মাঠে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য মন্ত্রাণালয়ের জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম বিভাগীয় উপপরিচালক মোহাম্মদ ফয়েজ উল্যাহ।

প্রসঙ্গত: গত ১৫ জুলাই ট্যানারি মালিকরা কত দামে আড়তদারদের কাছ থেকে কোরবানি পশুর চামড়া সংগ্রহের দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

চট্টগ্রামে লবণযুক্ত প্রতি বর্গফুট গরু বা মহিষের চামড়ার দাম হবে ৩৩ টাকা থেকে ৩৭ টাকা, গত বছর যা ২৮ থেকে ৩২ টাকা ছিল।

২০১৯ সালে চামড়ার দাম না পাওয়ায় একপ্রকার অদৃশ্য হয়েছিলেন কোরবানিকেন্দ্রিক মৌসুমী চামড়া ব্যবসায়ীরা। বিক্রি না হওয়া এসব চামড়া রাস্তায় পচে যায়। দেশের চামড়া শিল্প বড় রকমের সঙ্কটে পড়ে। পুঁজি হারায় অনেক মৌসুমী ব্যবসায়ী। এবার সচেতনতার সাথে সংরক্ষণ করলে এই শিল্প বাঁচার মূখ দেখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিস্তারিত ভিডিওতে..