নিউজটি শেয়ার করুন

ইসকনের ৪ নেতা ও ২২ অনুসারীসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা

ইসকনের ৪ নেতা ও ২২ অনুসারীসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা

সিপ্লাস প্রতিবেদক: এবার ইসকনের ৪ নেতা ও ২২ অনুসারীসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেছেন প্রবর্তক সংঘ (বাংলাদেশ)’র সম্পাদক তিনকড়ি চক্রবর্তী।

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার ও মানহানিকর বক্তব্য প্রচারের দায়ে সোমবার (২৬ জুলাই) পাঁচলাইশ মডেল থানায় মামলা দায়ের হয়েছে বলে বৃহস্পতিবার(২৯) জুলাই জানিয়েছে প্রবর্তক সূত্র।

পাঁচলাইশ মডেল থানার পরিদর্শক(তদন্ত) মো. কবিরুল ইসলাম বলেন, সোমবার ২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় ২৬ জনকে আসামী করে মামলা(নম্বর ১১) দায়ের করা হয়েছে।  মামলাটি তদন্ত করার জন্য উপ পরিদর্শক আফতাব হোসেনকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

মামলার আসামীরা হলেন-চিম্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী, লক্ষণ কান্তি দাস প্রকাশ লীলারাজ, দেবব্রত দাশ প্রকাশ দিব্য নিমাই, রুপন দাশ প্রকাশ রুপেশ্বর, আরিয়ান রায়, অরণ্য সিএম, সূত্রধর এস, রুদ্রনীল, ধীমান সেনগুপ্ত, স্বপন কর, শ্রী মেনন, সুমন সাহা, রানা দাশ, হৃদয়, সজল রায়, শ্রুতি দে, অরবিন্দু মোহন, সুপর্ণা চৌধুরী রোমেল, শ্রীতাদ্বীপ দাশ, এইচ এল সিকদার বিজয়, প্রসেনজিৎ ধর, মিটন সুশীল, শ্রী মায়াবন্ধন ত্রিপুরা, রাজ সিং, পপি দাশ ও আশীষ দাশ।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ‘প্রবর্তক শ্রীকৃষ্ণ মন্দির বাঁচাও, হোক প্রতিবাদ’ শীর্ষক ফেইসবুক আইডি থেকে প্রবর্তক সংঘের সভাপতি অ্যাডভোকেট সুভাষ চন্দ্র লালা, সহসভাপতি অধ্যাপক রণজিৎ কুমার দে প্রমূখের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক, মিথ্যা, ভীতি প্রদর্শক তথ্য-উপাত্ত প্রেরণ ও প্রকাশ করে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় মূল্যবোধ ও অনুভূতিতে আঘাত করা হয়েছে। বিশৃঙ্খলা তৈরীর লক্ষ্যে উসকানি দেয়ার মাধ্যমে একে অপরের যোগসাজশে মিথ্যা তথ্য প্রকাশ ও প্রচার করেছেন আসামিরা। যা প্রবর্তক সংঘের কর্মকর্তা -কর্মচারী ও প্রবর্তক শ্রীকৃষ্ণ মন্দিরের অনুসারী, পূজারীদের মধ্যে বিভাজন তৈরি করেছে।

২০০৪ সালে মন্দিরের পূজা পরিচালনার জন্য পূজারী নিয়োগের আবশ্যকতা দেখা দিলে ইসকনের সাধারণ সম্পাদক চারুচন্দ্র দাশ প্রকাশ চণ্ডী দাশ বালা পুজারীর দায়িত্ব নেওয়ার জন্য তদানীন্তন প্রবর্তক গভর্ণিং বডিকে অনুরোধ করেন। আলোচনাক্রমে উভয়পক্ষের মধ্যে ২০০৪ সালের ১ এপ্রিল চুক্তিপত্র সম্পাদনের মাধ্যমে তাকে পুজারী হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয়। সনাতন ধর্মমতে মন্দিরের স্বত্ব স্বার্থে ও অর্থে পূজারীর অধিকার নেই। কিন্তু উক্ত ব্যক্তি পূজারীর দায়িত্ব নিলেও নিয়মিত পূজা-অর্চনায় মনোনিবেশ না করে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ব্যক্তিকে পূজার দায়িত্ব দিয়ে শর্ত লংঘন করেছেন। চুক্তিপত্র বাতিল করার উদ্যোগ নেওয়ায় বর্তমানে তারা নানান অপপ্রচার চালাচ্ছে।