নিউজটি শেয়ার করুন

আগ্রাবাদে ফুটপাতে চাঁদার জন্য ব্যবসায়ীকে অপহরণ: আটক ১

বিআরটিএ অফিস থেকে ২১ দালাল আটক

সিপ্লাস প্রতিবেদক: নগরীর আগ্রাবাদে ফুটপাতে চাঁদাবাজি ও অপহরণের অভিযোগে আবু বক্কর ছিদ্দিক নামে এক যুবককে আটক করেছে ডবলমুরিং থানা পুলিশ। এ সময় অপহৃত ব্যবসায়ী রিফাতকেও উদ্ধার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) ভোরে আগ্রাবাদ কমার্স কলেজ রোডের প্রাথমিক শিক্ষা ভবনের পরিত্যাক্ত নীচ তলা থেকে তাকে আটক করা হয়।

আটক আবু বক্কর আগ্রাবাদের মোগলটুলি এলাকার হাজী ইয়াছিন আলী লেইনের জাকিরুল হকের ছেলে।

ডবলমুরিং থানার ওসি মোহাম্মদ মহসীন বলেন, আবু বক্কর আগ্রাবাদ এলাকার ফুটপাতে চাঁদাবাজি চক্রের সদস্য। সে মুন্না নামের ৫ জনের একটি গ্রুপে কাজ করে। আগ্রাবাদ এলাকায় ফুটপাতে চাঁদাবাজি করে এই গ্রুপ। কেউ চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রথমে মারধর করে যা পায় তা ছিনিয়ে নেয়। এরপর তার পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করে।

তিনি আরও বলেন, রিফাতও আগ্রাবাদ বাদামতলী মোড়ের ফুটপাতে ব্যবসা করতেন। তার কাছেও চাঁদা দাবি করে মুন্না বাহিনী। তিনি দিতে অস্বীকৃতি জানালে রাতে তাকে তুলে নিয়ে যায় মুন্না বাহিনী। প্রথমে তাকে মারধর করে ২০ হাজার টাকা ও মোবাইল সেট ছিনিয়ে নেয়। এরপর তার পরিবারের কাছে ফোন করে আরও এক লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে তারা। রিফাতের পরিবার সময়ক্ষেপণের জন্য ৫ হাজার টাকা দেয়। এরপর কৌশলে আমাদের অবহিত করে। অভিযোগ পাওয়ার পর রাত থেকে সকাল পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে আগ্রাবাদ কমার্স কলেজ রোডের প্রাথমিক শিক্ষা ভবনের পরিত্যাক্ত নীচ তলা থেকে রিফাতকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় আবু বকরকে গ্রেপ্তার করা হলেও পালিয়ে যায় বাকিরা।

জিজ্ঞাসাবাদে আবু বকর ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছ। চাঁদাবাজ চক্রের মুন্না গ্রুপের শভ দাশ, শাহ আমানত শিশির ও রহমান নামের যুবক জড়িত আছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এর আগেও একই কায়দায় একাধিক ব্যক্তিকে অপহরণ করেছে বলেও জানায় সে।

মূলত ফুটপাতে চাঁদাবাজির আধিপত্য বজায় রাখতেই তারা এ পন্থা অবলম্বন করে। চাঁদাবাজ চক্রের বাকী সদস্যদের ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে বলে জানিয়েছেন তিনি।