cplusbd

নিউজটি শেয়ার করুন

গণভবনে যাচ্ছেন ভিপি নুর

1st Image

সিপ্লাস ডেস্ক (২০১৯-০৩-১৫ ১২:২৯:২৩)

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমন্ত্রণে শনিবার (১৬ মার্চ) গণভবনে যাচ্ছেন ডাকসুর নবনির্বাচিত ভিপি নুরুল হক নুর।

এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার (১৪ মার্চ) রাতে তিনি বিভিন্ন গণমাধ্যমকে দাওয়াত পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করেন ।

নুরুল হক নুর বলেন, দেশের প্রধানমন্ত্রী যখন সবাইকে চায়ের নিমন্ত্রণ জানিয়েছেন সেখানে আমাদের সবার যাওয়া উচিত। আমরা যাচ্ছি গণভবনে।

এটিকে ভাগ্য বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণ পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদের নির্বাচনে বিজয়ীদের আগামী শনিবার গণভবনে ডেকেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওইদিন বিকাল ৪টায় এই সাক্ষাতের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে ডাকসু‘র নব নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক (জিএস) ও ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী নিশ্চিত করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শনিবার বিকাল ৪টার দিকে ডাকসু ও হল সংসদে নির্বাচিত ছাত্রপ্রতিনিধিদের ডেকেছেন।

ডাকসুর নবনির্বাচিত এজিএস সাদ্দাম হোসাইন বলেন, শনিবার বিকেলে ডাকসু ও হল সংসদের সব ছাত্রনেতাদের ডেকেছেন প্রধানমন্ত্রী। ছাত্রলীগের সবাই সে আমন্ত্রণে গণভবনে যাবে। ডাকসু’র ভিপিসহ বিভিন্ন হলে যারা স্বতন্ত্র বা অন্য প্যানেল থেকে নির্বাচিত হয়েছেন তাদেরকেও প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণ ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেয়া হবে। তারা যাবে কিনা- সে সিদ্ধান্ত তাদের বিষয়।

এর আগে গত ১১ মার্চ ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সহসভাপতি (ভিপি) ও সমাজসেবা সম্পাদক পদ ছাড়া ডাকসুর ২৫টি পদের মধ্যে ২৩ টিতেই জয় পায় ছাত্রলীগ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ইতিহাসে এই প্রথম ক্ষমতাসীন দলের ছাত্রসংগঠন ভোটে বেশির ভাগ পদে নির্বাচিত হলো।

প্রসঙ্গত, সোমবার (১১ মার্চ) দীর্ঘ ২৮ বছর পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনে ভিপি নির্বাচিত হন কোটা সংস্কার আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া সংগঠন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের প্রার্থী নুরুল হক। এতে কেন্দ্রীয় পরিষদে ২৫টির মধ্যে ২৩টি পদ পায় ছাত্রলীগ। অধিকাংশ হলেই পূর্ণ প্যানেলে বিজয়ী হয় আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতীম এ সংগঠনটির প্রার্থীরা। নির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ তোলে ছাত্রলীগ বাদে সব প্যানেল ও ছাত্র সংগঠন। এর মধ্যে বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলে সিল দেওয়া ব্যালট উদ্ধার করা হয়। অন্যদিকে রোকেয়া হলে তিন ট্রাঙ্ক ভর্তি ব্যালট উদ্ধার করেন শিক্ষার্থীরা। এ নিয়ে ছাত্রলীগ,প্রগতিশীল ছাত্রজোট ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার আন্দোলনের দেওয়া প্যানেলের প্রার্থীদের মধ্যে গোলযোগ বাধে। পরবর্তীতে নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ এনে পুনর্নির্বাচন,হল প্রভোস্টের পদত্যাগ,মামলা প্রত্যাহার ও আন্দোলনকারীদের নিরাপত্তার দাবিতে আমরণ অনশন করছিলেন রোকেয়া হলের ছয় ছাত্রী। তবে তারা অনশন কর্মসূচি স্থগিত করেছেন।তবে একই দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যেও আমরণ অনশন পালন করছেন ছয় শিক্ষার্থী।