cplusbd

নিউজটি শেয়ার করুন

কক্সবাজারে উদ্বোধনের অপেক্ষায় আশ্রয়ণ প্রকল্প

1st Image

কক্সবাজার প্রতিনিধি (২০১৯-০২-১১ ০৫:২৯:০৮)

নানা সময়ে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত জেলা কক্সবাজার ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়েছে। সমুদ্র তীরবর্তী এলাকায় ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য আশ্রয়ণ প্রকল্পের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ‘শেখ হাসিনা আশ্রয়ণ প্রকল্প’নামে নেওয়া ওই প্রকল্পের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, কক্সবাজারে দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে দেশের সর্ববৃহৎ এই আশ্রয়ণ প্রকল্পের কাজ। যেখানে আশ্রয় পাবে ১৯৯১ সালের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ে উদ্বাস্ত হওয়া সাড়ে ৪ হাজার পরিবার। সদর উপজেলার খুরুশকুল আশ্রয়ণ প্রকল্পে থাকছে ৫তলা বিশিষ্ট ১৩৯টি ভবন ও ১০তলা বিশিষ্ট ১টি টাওয়ার। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাঁকখালী নদীর পাশে প্রায় ২শ' ৫৪ একর জমিতে খুরুশকুল বিশেষ আশ্রয়ণ প্রকল্পটির কাজ শুরু হয় ২০১৭ সালের শেষদিকে। যার তত্ত্বাবধানে আছে সেনাবাহিনী। মাটিভরাট, বেড়িবাঁধ নির্মাণের পর এখন শেষ হওয়ার পথে প্রথম ধাপের ১০টি ভবনের নির্মাণ কাজ। যেখানে আশ্রয় পাবে জলবায়ূ উদ্বাস্তু ৩২০টি পরিবার। চলতি মাসের শেষদিকে এটি উদ্বোধনের কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। এ ছাড়া শুরু হয়েছে দ্বিতীয় ধাপের ভবনের কাজও। ১৯৯১ সালের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ে উদ্বাস্তু কুতুবদিয়া উপজেলার যেসব মানুষ কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় আশ্রয় নিয়েছিলেন, তাদের জন্য এই প্রকল্প। আশ্রয়ণ প্রকল্পে স্থায়ী ঠিকানা পেয়ে তারা খুশি হলেও, দাবি জানিয়েছেন কর্মসংস্থানের। ঘূর্ণিঝড়ে ভিটেমাটি হারা নাসিব মিয়া বলেন, প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নও বাস্তবায়ন হোক। আমাদের আশ্রয়স্থল হচ্ছে। আমরা অনেক খুশি। যা আমাদের নতুন স্বপ্নপূরণের দিকে যাচ্ছে। উদ্ভাস্তু মৌলভী নুরুল ইসলাম বলেন, আমরা আশ্রয় পাচ্ছি। কিন্তু সেখানে আমাদের কোনো কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে কিনা তা এখনও পরিস্কার নয়। কোনো ধরণের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না হলে আমরা আরও সংকটে পড়বো। আশ্রয় পাওয়া নিয়ে খুশি হলেও, এসব মানুষের চাওয়া স্থায়ী কর্মসংস্থান। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রকল্প এলাকায় কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন জেলা প্রশাসক।

প্রকল্পটির প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর ইঞ্জিনিয়ার তরিকুল ইসলাম বলেন, প্রথম ধাপের ১০টি ভবনের কাজ ৯৫ শতাংশ শেষ। বাকি ৫ শতাংশ কাজ চলমান। চলতি মাসের শেষে দিকে পুরো কাজ সম্পন্ন হবে বলে আশা করছি। কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বলেন, তারা এর আগে যে পেশায় ছিল তাকেই আধুনিকরণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান ফিরিয়ে দেওয়া হবে।