নিউজটি শেয়ার করুন

প্রচন্ড তাপদাহে অতিষ্ঠ জনজীবন

বিজ্ঞাপন

মো: মহিন উদ্দীন: গত কয়েকদিনের প্রচন্ড তাপদাহে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন । তীব্র গরমে পুড়ছে জনপদ, মাঠ-ঘাট ও শষ্যের ক্ষেত। কোথাও স্বস্তির বাতাস নেই। সর্বত্র গরম আর গরম, কখনও প্রচন্ড, আবার কখনও ভ্যাপসা গরম। শীতের আগমনের আগে শেষ বারের মত গরমের তান্ডব চলছে জনপদে। এমন সময় সূর্যের প্রখরতা ও ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। সকাল হতেই ভীষণ ক্ষেপে উঠে সূর্য। আর দুপুর হতে না হতেই সড়ক বাজার লোক শুন্য হচ্ছে। একটু প্রশান্তির জন্য গাছতলায় ঠাই নিচ্ছে মানুষ। অসহনীয় তাপ, রৌদ্রযন্ত্রনায় মানুষ করোনার কথা একেবারেই ভুলে গিয়ে ঠান্ড পানি পান করে শরীর কে স্বস্থিতে ফেরানোর প্রচেষ্টায় জনজীবন।

আগ্রাবাদ মোড়ে ছায়ার সন্ধানে যাওয়া কয়েকজন যুবক বলেন, চারিদিকে কেবল গরম আর গরম। যে গরমে কেবলমাত্র জনজীবনেই অস্থিরতা আনছে তা নয় বর্তমানে সারা বিশ্বে মহামারী ধারণ করা করোনা ভাইরাসের মধ্যে ঠান্ডা পানি কিংবা কোল্ড ড্রিংকস পান না করার জন্য চিকিৎসকদের পরামর্শ থাকলেও এ গরমে মানুষ একবারে ভুলে গেছে তার কথা। কেননা অতিরিক্ত তাপদাহে মানবদেহে পানি শুন্যতার সৃষ্টি হয়। এ শূন্যতা পূরণ করতে মানুষ ছুটে যাচ্ছে ঠান্ডা পানি পান করতে।

লালখান বাজারের এক ব্যবসায়ী বলেন প্রচন্ড গরম সহ্য করা তো দূরের কথা রাতে একটু ঘুমাতে পর্যন্ত পারছি না। তারপরও মাঝ রাতে হালকা ধমকা বাতাস হলেও বৃষ্টি নেই। যেখানে বড়রাই গরম সহ্য করতে পারছি না। সেক্ষেত্রে ছোট বাচ্চাদের অবস্থা আরো খারাপ “একবার গরমে ঘামছে আবার মুছিয়ে দিচ্ছি। এটাতে ঠান্ডা-গরম লেগে বাচ্চার শরীর খারাপ হয়ে যাচ্ছে।”

প্রচন্ড গরম, আর তাপদাহে জনজীবন বর্তমান সময় হাঁসফাঁস করছে এমন চিত্র চোখে পড়ে রিকসা আর ভ্যান চালকদের দেখলেই বুঝা যায়।

অতি গরম হিটস্টোকের কারণ হিসেবে জানান দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

সাগরে নিম্নচাপ থাকায় চট্টগ্রামসহ সমুদ্রবন্দরগুলোকে ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত দেখাতে রবিবার এ সতর্ক বার্তায় এ কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

আবহাওয়াবিদরা বলছেন, বৃষ্টিপাত হলে তাপমাত্রা কিছুটা হ্রাস পেতে পারে।