নিউজটি শেয়ার করুন

কন্ট্রাক্ট টিকেট বাণিজ্যের খপ্পরে পড়ে চরম ভোগান্তিতে প্রবাসীরা

বিজ্ঞাপন

মো: মহিন উদ্দীন: চট্টগ্রাম শাহ আমান আর্ন্তজাতিক বিমান বন্দরে ইমিগ্রেশন বিভাগ থেকে কন্ট্রাক্ট ছাড়া ভিজিট ভিসায় বিদেশে যেতে পারেনি ১৫ জন রেমিটেন্স যোদ্ধারা। বৈধ পাসপোর্ট ও ভিসা থাকার সত্ত্বেও কেন বিদেশে যেতে পারবে না  তার কোন সদুত্তর পায়নি ভুক্তভোগী প্রবাসীরা। শুধু নতুন ভিজিট ভিসা আছে কেবল তারা নয় পুরাতন প্রবাসীরাও যেতে পারছে না এমন দাবী প্রবাসীদের। কন্ট্রাক্ট টিকেট বাণিজ্যের খপ্পরে পড়ে চরম ভোগান্তিতে প্রবাসীরা।

গত ১০ অক্টোবর কন্ট্রাক্ট ছাড়া ভিজিট ভিসায় ১৫ জন রেমিটেন্স যোদ্ধা বিদেশে যেতে পারেনি এমন ঘটনা ঘটেছে শাহ আমানত আর্ন্তজাতিক বিমান বন্দরে।

চট্টগ্রাম-ঢাকা এয়ারপোর্টে টিকেট বাণিজ্যে কন্ট্রাক্ট শব্দ বসিয়ে ৬ গুণ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে দালালেরা এমন অভিযোগ প্রবাসীদের।

জানা যায়,সাধারণত বাংলাদেশ বিমানের টিকেট মূল্যে ৩৫ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকার ভিতরে সীমাবদ্ধ। এদেশে ব্যাঙের ছাতার মতো গজে উঠা এজেন্সি গুলো এয়ারপোর্ট কন্ট্রাক্ট করতে হবে এমন অজুহাতে টিকেট মূল্যের ৬ গুণের অধিক দুই হতে আড়াই লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে দালাল চক্ররা।

হাটহাজারী থেকে আসা আরাফাতুল ইসলাম নামে এক যুবক জানান, গত ৮ অক্টোবর চট্টগ্রাম নগরের রিয়াজ উদ্দিন বাজারে কয়েকটি এজেন্সিতে ভিসা প্রসেসিং এবং যাত্রীর আপডাউন টিকেট মূল্যে ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা নির্ধারণ থাকলেও যাত্রী থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে ৯০ থেকে ৯৫ হাজার টাকা।

দালালদের মাধ্যমে এয়ারপোর্ট কন্ট্রাক্ট করলে ঝামেলা ছাড়াই প্রবাসে যাওয়া যায়। আর কন্ট্রাক্ট না করলেই বিমান বন্দরে ইমিগ্রেশন বিভাগ দিয়ে বের হওয়া যায় না। আমরা সাধারণ মানুষ এয়ারপোর্টে গিয়ে এভাবে হেনস্তার স্বীকার হলে কার কাছে গেলে সঠিক বিচার পাব? এমন দাবী প্রবাসীদের।

প্রবাসীরা জানান, করোনাকালে দেশে ফিরে আটকে পড়ার পরে ভিসা প্রসেসিং করতে গিয়ে ৯৫ হাজার টাকা দিয়ে টিকেট করতে হয়। এ দেশে জন্ম নেয়ার আগে মৃত্যুটা আগে হওয়া উচিত ছিল। এদেশে প্রত্যেকটা সেক্টরে দূর্নীতি আর দূর্নীতিতে ছেয়ে গেছে। গরীবের পকেট কাটার চিন্তায় ধনীরা সব সময় মগ্ন থাকে।