নিউজটি শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের মা ও শিশুতে আরো ১০ টি হাই ফ্লো নজেল ক্যানোলা দিচ্ছে এস আলম

একমাসের মধ্যেই বসবে সর্বমোট ২০ টি

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রামের হাসপাতাল গুলোতে যেখানে একসময় একটিও হাই ফ্লো নজেল ক্যানোলা ছিলনা সেখানে এখন করোনা রোগীদের চিকিৎসা দিতে ২০ টি হাই ফ্লো অক্সিজেনের নজেল ক্যানোলা বসতে যাচ্ছে চট্টগ্রামে মা ও শিশু জেনারেল হাসপাতালে। চট্টগ্রাম মা ও শিশু জেনারেল হাসপাতালের ট্রেজারার রেজাউল করিম আজাদ সিপ্লাসকে এই বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এই ২০ টি হাই ফ্লো নজেলা ক্যানোলার মধ্যে ১২ টিই দিয়েছেন চট্টগ্রামের অন্যতম শিল্প গ্রুপ এস আলম। তার মধ্যে ২ টি এর আগেই দেয়া হয়েছে এবং আরো ১০ টি এই মাসের ভিতরেই চট্টগ্রাম মা ও শিশু জেনারেল হাসপাতালকে বুঝিয়ে দেয়া হবে।  এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম মাসুদের পিএস আকিজ উদ্দিন চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি সিপ্লাসকে বলেন, চট্টগ্রামবাসীর জন্য আরো সুসংসবাদ আমরা আগামী সপ্তাহে দিতে পারবো। তা হলো আরো ১০০টি হাই ফ্লো নজেল ক্যানোলা আমদানী করা হয়েছে। এগুলো এলে তার মধ্য থেকে চট্টগ্রামই পাবে ৫০টি।

এদিকে চট্টগ্রাম মা ও শিশু জেনারেল হাসপাতালের ট্রেজারার রেজাউল করিম আজাদ সিপ্লাসকে বলেন, করোনা রোগীদের কথা বিবেচনা করে ৬০ বেডের আরো একটি নতুন করোনা ইউনিট প্রস্তুত করা হচ্ছে। যার জন্য আমরা রাত দিন ২৪ ঘন্টা কাজ করে যাচ্ছি। আগামী ৩-৪ মধ্যেই সেই ইউনিটটিও আমরা চালু করে ফেলতে পারব।

মি: আজাদ জানান, ইতিমধ্যেই চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে ৪ টি হাই ফ্লো নজেল ক্যানোলা রয়েছে। তার মধ্যে ২ টি এস আলম গ্রুপের দেয়া এবং বাকি দুইটি হাসপাতালের নিজস্ব অর্থায়নে কেনা হয়েছে। এর বাইরে আরো ১০ টি হাই ফ্লো নজেল ক্যানোলা দিচ্ছেন এস আলম গ্রুপ। আগামী ২৩ জুনের মধ্যেই তা হাসপাতালে চলে আসবে।

এছাড়াও, সিডিএর সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ আবদুচ ছালাম ২ টি হাই ফ্লো অক্সিজেনসহ এয়ার কন্ডিশন দিচ্ছেন। পাশাপাশি আরো ২ টি দিচ্ছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাজী শফি।

মি: আজাদ জানান, সব মিলিয়ে আমাদের হাতে এক মাসের মধ্যে ২০ টি হাই ফ্লো অক্সিজেন সরবরাহের যন্ত্রপাতি চলে আসবে।

উল্লেখ্য করোনার শুরু থেকেই সব ধরণের রোগী ভর্তির পাশাপাশি গত ৬ জুন থেকে করোনা রোগীদের বিশেষভাবে চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছে চট্টগ্রাম মা ও শিশু জেনারেল হাসপাতাল। পাশাপাশি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ীর অনুদানে ৮০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে স্থাপিত হতে যাচ্ছে অত্যাধুনিক পিসিআর ল্যাব। এছাড়াও আগের সেই করোনা ইউনিটে আরো ৪০ টি বেড স্থাপিত হতে যাচ্ছে।

ইতিমধ্যেই করোনা রোগীদের জন্য ৩৫ টি বেড থাকলেও ক্যাবিন ব্লক সহ মিলে মোট ৭৮ জন করোনা রোগী আছেন বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।