নিউজটি শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম উন্নয়ন আন্দোলনে সাংবাদিকদের অবদানের কথা শ্রদ্ধার সাথে উচ্চারণ করলেন ব্যারিস্টার মনোয়ার

চট্টগ্রামের উন্নয়ন-সংগ্রামে নাগরিক আন্দোলনে জনগণের অভূতপূর্ব সাড়ার পাশাপাশি সাংবাদিক সমাজের গুরুত্বপূর্ণ সহযোগিতা এবং অবদানের কথা শ্রদ্ধার সাথে উচ্চারণ করলেন চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের চেয়ারম্যান ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠক ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন।
১৯৮০ এর দশকে ও পরবর্তীতে চট্টগ্রামের কীর্তিমান সাংবাদিকদের শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে তিনি বলেন, তাঁরা ছিলেন আমাদের সাহস-প্রেরণার উৎস। ২৩ ফেব্র“য়ারি দুপুরে নগরীর একটি রেস্তোরায় চট্টগ্রামের সাংবাদিকদের সাথে সৌজন্য আড্ডায় ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন এসব কথা বলন।
তিনি বলেন, আজকের মতো এতো সহজলভ্য ছিলো না তখনকার সাংবাদিকতা ও সংবাদমাধ্যম। সেসময়ে অনেক বেশি ঝুঁকি নেয়ার পাশাপাশি কমিটেড ছিলেন শ্রদ্ধেয় সাংবাদিকবৃন্দ।
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নেয়া প্রসঙ্গে চট্টগ্রামের নাগরিক আন্দোলনের প্রবাদপুরুষ ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন আরো বলেন, ছাত্ররাজনীতির মধ্য দিয়ে আমার রাজনীতির অগ্রগতি ও অভিযাত্রা। কেন্দ্রীয় ছাত্ররাজনীতিতে নেতৃত্ব দিয়েছি। দীর্ঘসময় ধরে লন্ডনে প্র্যাকটিসিং ব্যারিস্টার হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি স্বদেশে সমাজ উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছি। সামাজিক কর্মকান্ডে ভূমিকা রাখছি। নাগরিক আন্দোলনে ছাত্রাবস্থায় থেকে জয়িয়ে থাকার কারণে চট্টগ্রামের উন্নয়ন কেন্দ্রীক ভাবনা আমার মেধা ও মননে গ্রন্থিত রয়েছে। জননেত্রী শেখ হাসিনা যদি আমাকে মনোনয়ন দিতেন তবে সবচেয়ে বেশী স্যাক্রিফাইজ করতে হতো আমাকে। কারণ, বিদেশে রুটিরুজির জায়গাটি তথা আইনপেশা বাদ দিয়েই আমাকে দেশে দায়িত্ব পালন করতে হতো। চট্টগ্রাম উন্নয়নে এবং দেশের স্বার্থে যে কোন ঝুঁকি গ্রহণে আমি আপোষহীন ছিলাম, আছি, থাকবো।
চট্টগ্রামের নতুন মেয়রপ্রার্থীকে অভিবাদন জানিয়ে তিরি বলেন, চট্টগ্রামের উন্নয়নে চট্টগ্রামবাসীর যৌক্তিক স্বার্থে চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরাম তার সাথে থাকবে। সাংবাদিকরা তাদের আলোচনায় স্বদেশে ও প্রবাসে মানবিক কল্যাণে বিশেষ করে এখনো চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা ও সার্বিক উন্নয়নের জন্য নাগরিক ফোরামের মাধ্যমে সোচ্চার থাকার জন্য ব্যারিস্টার মনোয়ারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা অতীতে সাংবাদিকদের বিভিন্ন আন্দোলনে ব্যারিস্টার মনোয়ারের সমর্থন ও সক্রিয় সাহায্যের কথাও তুলে ধরেন।
এসময় আলোচনায় অংশ নেন চট্টগ্রাম উন্নয়ন আন্দোলনে ব্যারিস্টার মনোয়ারের সহযোদ্ধা শিল্পী শাহরিয়ার খালেদ, মহিলানেত্রী হাসিনা জাফর, ক্রীড়াবিদ এস.এম. শহিদুল ইসলাম, সাংবাদিক জসিম চৌধুরী সবুজ, রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, হাসান ফেরদৌস, এজাজ ইউসূফী, শামসুল হক হায়দরী, ওমর কায়সার, আসিফ সিরাজ, দেবু প্রসাদ দেবু, মোস্তাক আহমেদ, লেখক-সাংবাদিক শওকত বাঙালি, হামিদ উল্যাহ, আলমগীর সবুজ, প্রিতম দাশ, আলমগীর অপু, শহীদুল্লাহ শাহরিয়ার, ইফতেখারুল ইসলাম, হাবিব রেজা, ইমতিয়াজ শাওন, তসলিম খাঁ, রুহউল্লাহ নোমান, সনেট চক্রবর্তী প্রমূখ।
অনুষ্ঠানে শিল্পী শাহরিয়ার খালেদ মনোমুগ্ধকর গান পরিবেশন করেন। সাংবাদিক-কবি ওমর কায়সার তাঁর বক্তব্যে তাৎক্ষনিক চট্টগ্রামের ভাষায় একটি ছোট্ট ছড়ায় ব্যারিস্টার মনোয়ারকে সম্মান জানান। “আরার দেশর উন্নয়ন আর প্রগতি খাই ফেলাদ্দে জানোয়ার, এগিনিরে ঠিক করিবারলাই নেতা অইবুদে মনোয়ার”।