নিউজটি শেয়ার করুন

চসিক নির্বাচন: আওয়ামী লীগের মেয়র পদের মনোনয়ন মাহবুব-তুফান-সুজনে ঘুরছে

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন(চসিক) নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র পদের মনোনয়ন মাহবুব-তুফান-সুজনে ঘুরছে বলে জানিয়েছে আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র।

রোববার(১৬ ফেব্রুয়ারী) চসিক নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে।

আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী কে হবেন শনিবার রাত নয়টার পর জানা যাবে বলা হচ্ছে বিভিন্ন সূত্র।

যদিও বিএনপিসহ অন্যান্য দলগুলোও তফশিল ঘোষনার পর চসিক নির্বাচনের প্রার্থী ঘোষণা করবে বলে জানা গেছে।

এদিকে এবারের চসিক নির্বাচনে মেয়র পদে বঙ্গবন্ধু সরকারের শ্রম মন্ত্রী জহুর আহমদ চৌধুরীর ছেলে হেলাল উদ্দিন চৌধুরী তুফান ও চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মাহবুবুল আলম ও আওয়ামী লীগ সহসভাপতি খোরশেদ আলম সুজনের নামই ঘুরপাক খাচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছে একাধিক সূত্র।

তবে তুফানের প্রায় ৪৮ কোটি টাকার ব্যাংক ঋন খেলাপী আছে বলে একধরণের প্রচারণা আছে।সিপ্লাসকে তুফান বলছেন,সবই ভূয়া। আমাকে ঠেকানোর জন্য এটা একটি ষড়যন্ত্র।

এরই মাঝে নীরবে আলোচনায় আছে চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি মাহবুবের নাম। তার বিরুদ্ধেও অভিযোগ উঠেছে তিনি শহরের ভোটার না আর নরম প্রকৃতির মানুষ। তবে মাহবুব সিপ্লাসকে জানিয়েছেন,তিনি সিটি কর্পোরেশনের ভোটার আর কারো সাথে সহজে প্যাঁচালে না যাওয়াটা কোন মানুষের দোষ হতে পারে বলে বিশ্বাস করি না।

এরই মধ্যে তুফান আর মাহবুবের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মেয়র নাছিরসহ অনেকেই।

শুধু টাকা থাকলে আর পারিবারিক পরিচয় দিয়ে মেয়রের মতো পদ যদি দিয়ে দিতে হয় সেক্ষেত্রে রাজনীতি না করে টাকা কামানোর ধান্ধাকে উৎসাহিত করা হবে বলে মন্তব্য করছেন নাম প্রকাশে অনিশ্চুক অনেক রাজনৈতিক নেতা।

যদি কোন কারণে রাজনৈতিক নেতা হিসেবে বর্তমান মেয়র আ জ ম নাসিরকে দেয়া না হয় সেক্ষেত্রে খোরশেদ আলম সুজনকে বিবেচনা করা যেতে পারে।অন্তত রাজনীতিকে সম্মান করা হবে।তবে সুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে,তিনি একসময় বাকশাল করতেন। এ ব্যাপারে খোরশেদ আলম সুজন বলছেন,বাকশালতো করেছিলাম বঙ্গবন্ধুর।বিএনপিতো করিনি!বঙ্গবন্ধুর একজন পাগল হিসেবে বিএনপি-জামাতের করা জুলুম,নির্যাতন সহ্য করে মাননীয় সভাপতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ছিলাম এই পর্যন্ত।

বর্তমান মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন বলেছেন,আমার বিরুদ্ধে পাহাড়সম ষড়যন্ত্র চলছে।যারা প্রার্থী হয়েছেন তাদের ইতিহাস কি? রাজনৈতিক ত্যাগ কি-এসব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া উচিত। আমরা দুঃসময়ের কর্মী।মেয়র প্রার্থী হলেও আছি, না হলেও আওয়ামী লীগে আছি। তবে একান্তই আমাকে যদি না দেন সেক্ষেত্রে অন্ততঃ একজন রাজনৈতিক নেতাকে মূল্যায়ন করুক সেটা হতে পারে সুজন কিংবা রেজাউল।

একই কথা সিপ্লাসকে বলেছেন হেলাল উদ্দিন চৌধুরী তুফান।তিনি বলেন, আমরা রাজনৈতিক পরিবারের লোক। কোন কারণে আমাকে না দিলে রাজনৈতিক নেতাদের মূল্যায়ন করা হউক। তবে সবারই বিশ্বাস আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ভালো সিদ্ধান্ত দিবেন।

ইতোমধ্যে চসিক মেয়র পদে প্রার্থী হতে ১৯জন আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।