নিউজটি শেয়ার করুন

চসিক নির্বাচনে মেয়র পদে ১৫ এবং কাউন্সিলর পদে ৩৮৮ জনের মনোনয়ন সংগ্রহ: মনজুরও নৌকার প্রার্থী!

তিনি আগে বলেছিলেন, দল থেকে ডাক পেলে তিনি মনোনয়ন ফরম কিনবেন। সেই ডাক পেয়েছেন কি না, তা জানা যায়নি।

বৃহস্পতিবার মনজুরের পাশাপাশি নগর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা এ কে এম বেলায়েত হোসেনও মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন।

আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া  বলেন, এ নিয়ে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ১৫ জন মেয়র পদে এবং ৩৮৮ জন কাউন্সিলর পদে মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের বিষয়টি  নিশ্চিত করেছেন মনজুর।

বর্তমান মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন ও নগর আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ আব্দুচ ছালামও মেয়র প্রার্থী হতে মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন।

২০১৫ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আ জ ম নাছিরের কাছেই হেরেছিলেন সেই সময়কার বিএনপি নেতা মনজুর। সেবার ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ তুলে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন তিনি।

এর আগে ২০১০ সালের নির্বাচনে ৪ লাখ ৭৯ হাজার ১৪৫ ভোট পেয়ে নিজের রাজনৈতিক গুরু এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীকে প্রায় ৯৫ হাজার ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে মেয়র হয়েছিলেন বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মনজুর।

তার আগে মনজুর আলম তিন দফায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর (কমিশনার) ছিলেন। মহিউদ্দিন চৌধুরী মেয়র থাকাকালে বিভিন্ন সময় ভারপ্রাপ্ত মেয়রেরও দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

এদিকে সাবেক মেয়র মনজুর আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন ফরম নেয়ায় আওয়ামী লীগ বিএনপিসহ বিভিন্ন দলের লোকজন ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। তারা বলছেন মনজুর একজন সুবিধাবাদী চরিত্রের লোক। আওয়ামী লীগের মধু খেয়ে একবার বিএনপিতে আবার আওয়ামী লীগে মধুর আশায় ঘুরছেন। এই চরিত্রের লোকরা কখনো নাগরিকদের উন্নতি চা্য়না তারা নিজেদের আখের গুছাতে ব্যস্ত থাকে।

অনেকে সিপ্লাস অফিসে ফোন করে আওয়ামী লীগ থেকে মনজুরের ফরম সংগ্রহের বিষয়টি নিশ্চিত করে হাসাহাসি করছেন। তারা বলছেন মনজুর মধুলোভী ভ্রমর। যে দল থেকে সুবিধা পায় সেখানেই তাকে পাওয়া যায়।