চসিক নির্বাচনে কাউন্সিলরদের ছড়াছড়ি; মনোনয়ন ফরমে কি জবাব দেবেন তারা?

জোবাইর রিফাত
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২০, ০৭:০২ pm
  • ৮৯১ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে মেয়র পদে ফরম সংগ্রহ করেছেন সর্বমোট ১৫ জন ও কাউন্সিলর পদে ফরম সংগ্রহ করেছেন ৩৮৮ জন।

১৩ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত চসিকের ৪১ ওয়ার্ডের বিপরীতে  সাধারণ কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন ৩৮৮ জন প্রার্থী।

এবার আওয়ামী লীগ তাদের মনোনয়ন ফরমে প্রার্থীদের ১৯৭১, ১৯৭৫, ২০০১ এবং ২০০৭ সালে ভূমিকা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চেয়েছে বলে মনোনয়নপত্র সংগ্রহকারীরা জানিয়েছেন। মনোনয়ন ফরমে সম্ভাব্য প্রার্থী সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে বিস্তারিত খুঁটিনাটি তথ্য।

স্মরণকালে এবারই প্রথম চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আজকের দিন অবধি সর্বোচ্চ সংখ্যক প্রার্থী ফরম নিয়েছেন বলে সিপ্লাসেকে নিশ্চিত করেছেন আ’লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া।

এদিকে এবার কাউন্সিলর প্রার্থীদেরও  ঢাকার আ’লীগের ধানমন্ডিতে দলীয় কার্যালয় থেকে ফরম নিতে হচ্ছে।

বলা চলে আ’লীগ থেকে কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ার জন্য নতুন-পুরাতন মুখের ছড়াছড়ি এবারের নির্বাচনে।

আ.লীগের মনোনয়ন ফরমে যা যা আছে

১. প্রার্থীর নাম

২. মাতার নাম

৩. পিতা/স্বামীর নাম

৪. ঠিকানা:

ক)প্রার্থীর স্থায়ী ঠিকানা:

খ)বর্তমান ঠিকানা:

গ) টেলিফোন নং:

ঘ) মোবাইল নং:

 

৫. প্রার্থীর বয়স:

৬. শিক্ষাগত যোগ্যতা:

৭. পেশা:

৮. সাংগঠনিক পরিচয়:

** সাংগঠনিক পরিচয়ের স্থানে প্রার্থীকে মনোনয়ন ফরমে জানাতে হবে- ক) তিনি কতদিন ধরে আ’লীগে আছেন।খ) আ’লীগের সাংগঠনিক পর‌্যায়ে বর্তমান পদমর‌্যাদা।গ)অন্য কোন রাজনৈতিক দলের সদস্য ছিলেন কিনা? থাকলে ঐ দলের নাম এবং ঐ দলে কি পদমর‌্যাদা ছিল? ঘ)ছাত্রজীবনে কোন সংগঠনের সাথে জড়িত ছিলেন কিনা? থাকলে ঐ সংগঠনের নাম ও পদমর‌্যাদা। ঙ) কোন যুব, শ্রমিক, পেশাজীবী, সাংস্কৃতিক, ট্রেড-ইউনিয়ন কিংবা অন্য কোন সংগঠনের সাথে যুক্ত থাকলে তার বিবরণ।

** এছাড়া প্রার্থীকে আরো জানাতে হবে ১৯৭১ সালে মু্ক্তিযুদ্ধে প্রার্থীর ভূমিকা ও ১৯৭৫ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্মম হত্যাকান্ডের পর প্রার্থীর ভূমিকা।

** ২০০১-এর জাতীয় নির্বাচনের পরে বিএনপি-জামাত জোট সরকার বিরোধী আন্দোলনে প্রার্থীর ভূমিকা, ২০০৭ সালে ১১ জানুয়ারি পরবর্তী সময়ে প্রার্থীর ভূমিকা, রাজনৈতিক কারণে কোন সময় প্রার্থী কারাবরণ করেছেন কিনা বা অন্যকোনভাবে রাজনৈতিক নির‌্যাতনের শিকার হয়েছেন কিনাও মনোনয়ন ফরমে জানাতে হবে।

** ইতিপূর্বে প্রার্থী সিটি কর্পোরেশন মেয়র/জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান/উপজেলা চেয়ারম্যান/ভাইস চেয়ারম্যান/মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান/পৌরসভা/ইউনিয়ন পরিষদ ও কাউন্সিলর (পুরুষ/মহিলা) নির্বাচন বা সেরকম কোনো নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করেছেন কিনা সেটাও মনোনয়ন ফরমে জানতে চাওয়া হয়েছে।

** আরো জানতে চাওয়া হয়েছে আবেদনকারী প্রার্থী কোন সরকারি/বেসরকারি সংস্থায় নিযুক্ত থাকলে তার বিবরণ ও নির্বাচনী এলাকায় প্রার্থীর উল্লেখযোগ্য সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও গঠণমূলক কর্মকান্ডের বিবরণ।

** প্রার্থীকে মনোনয়ন ফরমের জন্য নির্ধারিত ১০,০০০ হাজার টাকা নগদে দলীয় ব্যাংক হিসাবে জমা দিতে হবে।

** এরপর আবেদনকারী চাইলে অন্য কোন বিশেষ যোগ্যতা বা গুণাগুণের বিবরণও পৃথক লিপিবদ্ধ কাগজে ফরমের সাথে সংযুক্ত করতে পারবেন এবং সাথে প্রার্থীর জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি বাধ্যতামূলকভাবে সংযুক্ত করতে বলা হয়েছে।

** এবং সবশেষ নীচে প্রার্থীর একটি অঙ্গীকারনামা দেয়া থাকবে। সেখানে প্রার্থীর আসনের নাম উল্লেখ করে যাবতীয় প্রদত্ত তথ্যের জন্য স্বাক্ষরপ্রদানপূর্বক ফরম জমা দিবেন।

 

উল্লেখ্য আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি ও জমা দেয়ার শেষ দিন। ১৬ ফেব্রুয়ারি চসিক নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020 cplusbd.net