নিউজটি শেয়ার করুন

লকডাউনের প্রথম দিনে চমেক হাসপাতালে কমেছে রোগীর চাপ

   হয়রানি কমেনি ওয়ার্ডবয়দের

সিপ্লাস প্রতিবেদক: দেশে করোনা প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় আবারও লকডাউনের ঘোষণা দেয় সরকার। লকডাউনের প্রথম দিনে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেই রোগীর চাপ এমন চিত্র চোখে পড়ে সিপ্লাসের প্রতিবেদকের।

সোমবার ( ৫ এপ্রিল) দুপুর ১২টা ৪৫মিনিটের সময় চমেক হাসপাতালে ঘুরে দেখা যায়।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আয়া-ওয়ার্ডবয়দের গাদাগাদি থাকলেও, তেমন নেই রোগীর চাপ। অন্যান্য দিনের তুলনায় আজকে পুরো হাসপাতাল জুড়ে নেই তেমন রোগীর চাপ। তবে টিকেটের জন্য আগে যেমন দীর্ঘ লাইন থাকলে, এখন নেই সেই লাইন। এমন কি শারীরিক দুরত্ব নেই রোগীদের মাঝে।

রাঙ্গুনিয়া থেকে আসা ফারজানা,পটিয়া থেকে আসা করিম নামে দুইজন রোগীর স্বজনরা জানান, ট্রলিতে করে রোগী নিলেই ওয়ার্ডবয়দেরকে ১০০ টাকা দিতে হচ্ছে। কম দিলে নিতে চায় না। তখন তারা আরও উল্টাপাল্টা কথা বলে। তাদের হয়রানি থেকে কেউ রক্ষা পায় না।

চট্টগ্রাম অঞ্চলের গরিব ও অসহায় রোগীদের কম টাকায় চিকিৎসা সেবা পাওয়ার একমাত্র ভরসার স্থান চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল। এ অঞ্চলের কয়েক লাখ মানুষের কাছে হাসপাতালটি গরিবের হাসপাতাল হিসেবেই পরিচিত। কিন্তু এখানে চিকিৎসা নিতে এসে রোগী ও স্বজনদের পড়তে হয় নানা ভোগান্তি আর হয়রানিতে। আয়া-ওয়ার্ডবয়দের খারাপ ব্যবহার, টাকা ছাড়া বেড, দালালদের দৌরাত্ম্য, পরীক্ষা-নিরীক্ষায় বাড়তি টাকা আদায়, বিনামূল্যের ওষুধ না পাওয়া, আনসারদের হয়রানিসহ নানা অভিযোগ এখন নিত্যদিনের এমন দাবী রোগীর স্বজনদের।

চমেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক সিপ্লাসকে বলেন, কোভিড-১৯ সংক্রমণ আর মৃত্যুর ঊর্ধ্বগতি রুখতে সারাদেশে সোমবার (৫ এপ্রিল) থেকে শুরু হলো ৭ দিনের লকডাউন। এ কারণে আজকে একটু রোগী কম। প্রতিদিনই প্রচুর রোগী আসে।