নিউজটি শেয়ার করুন

রোহিঙ্গাদের জন্য বছরে ৫ মিলিয়ন ডলার সহায়তা কোরিয়ার

সিপ্লাস ডেস্ক: রোহিঙ্গাদের বৃহত্তম বৈশ্বিক শরণার্থী সঙ্কট মোকাবিলায় তাদের মানবিক সহায়তার জন্য বাংলাদেশভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলিকে বছরে চার থেকে পাঁচ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সহায়তা দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া।

দক্ষিণ কোরিয়া ২০২০ সালে বাংলাদেশের ইউএনএইচসিআর, ইউনিসেফ, আইওএম, ডাব্লুএফপি এবং আইএফআরসি অফিসগুলিতে চার মিলিয়ন মার্কিন ডলার দিয়েছে।

বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার দক্ষিণ কোরিয়া দূতাবাসের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত লি জাং-কুন আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলির মাধ্যমে কোরিয়ার সহায়তায় আশ্রয় নেওয়া এবং স্থানীয় কমিউনিটি প্রোগ্রামগুলি পর্যবেক্ষণ করতে ফেব্রুয়ারি ১৪-১৭ পর্যন্ত কক্সবাজার সফর করেন।

১৫ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রদূত লি আইওএম (অভিবাসনের জন্য আন্তর্জাতিক সংস্থা) এবং ডাব্লুএফপির (ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম) প্রতিনিধিদের সহায়তায় কক্সবাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি মানবিক কর্মীদের পাশাপাশি রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সঙ্গে ছিলেন।

তিনি কোভিড-১৯ আইসোলেশন ও চিকিৎসা কেন্দ্র (আইসিটি), মহিলা ও বালিকা নিরাপদ স্থান (ডাব্লুজিএসএস), আশ্রয় বিতরণ কেন্দ্র, এলপিজি ডিপো, সাইট ম্যানেজমেন্ট হাব, ই-ভাউচার আউটলেট এবং ফ্রেশ ফুড কর্নার, ডাব্লুএফপি লজিস্টিক হাব এবং কুলালপাড়া, রাজাপালংয়ের স্থানীয় কমিউনিটি পরিদর্শন করেন। কোইকা (কোরিয়া আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা) ঢাকা দফতরের প্রতিনিধি, দো ইয়ং-আহ এই সফরে যোগ দেন।

রাষ্ট্রদূত লি আইওএম, ডাব্লুএফপি, ইউএনএইচসিআর ও ইউনিসেফসহ কক্সবাজারে জাতিসংঘের সংস্থাগুলির সঙ্গে তাদের বিভিন্ন শিবিরে এবং স্থানীয় সম্প্রদায়ের সঙ্গে বৈঠক করে সংগঠনগুলির কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত হন। শরণার্থী চ্যালেঞ্জগুলি সমাধানে সহযোগিতা কীভাবে উন্নত করা যায় তা নিয়ে আলোচনা করেন।

সফরকালে রাষ্ট্রদূত লি কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মামুনুর রশীদ, কক্সবাজারের সিআইডি পুলিশ সুপার ফয়সাল আহমেদ এবং আরআরসি কমিশনার জনাব শাহ রেজওয়ান হায়াতসহ সেখানকার স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। রাষ্ট্রদূত লি কোরিয়ার এনজিও সদস্য এবং কক্সবাজার অঞ্চলে কর্মরত ব্যবসায়ীদের সঙ্গেও বৈঠক করেন।

কক্সবাজার পরিদর্শন করার আগে রাষ্ট্রদূত লি ১৪ ফেব্রুয়ারি মহেশখালী দ্বীপ পরিদর্শন করেন। সেখানে আইওএম, কোরিয়া টেলিকম এবং কোইকার দ্বিপাক্ষিক প্রকল্পের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।