নিউজটি শেয়ার করুন

বাইডেনের মন্ত্রীসভায় বাঙালি !

যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অধ্যাপক ড. অরুণ মজুমদার। ছবি: স্ট্যানফোর্ড প্রোফাইল

সিপ্লাস ডেস্ক: গুগলের সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা ও স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অধ্যাপক অরুণ মজুমদার যুক্তরাষ্ট্রের সদ্যনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জ্বালানিমন্ত্রী হতে পারেন বলে আভাস দিয়েছে দেশটির গণমাধ্যম।

ড. মজুমদার যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আমলে দেশটির জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের একটি ইউনিটের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। বাইডেনের অধীনে এই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হওয়ার দৌঁড়ে যারা এগিয়ে রয়েছেন তিনি তাদের মধ্যে রয়েছেন বলে এ বিষয়ে জ্ঞাত দুই ব্যক্তি ব্লুমবার্গ নিউজকে জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার বাইডেনের ট্রানজিশন টিমের জ্বালানি বিষয়ক প্রধান হিসেবে অরুণ মজুমদারের নাম প্রকাশ করা হয়েছে; সম্ভাব্য জ্বালানিমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত তালিকায়ও তার নাম রয়েছে বলে ওই ব্যক্তিরা জানিয়েছেন।

তাদের একজন ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক সরকারি সম্পর্ক ও যোগাযোগ বিষয়ক প্রতিষ্ঠান বাউন্ডারি স্টোন পার্টনার্সের সহপ্রতিষ্ঠা ও অংশীদার জেফ নাভিন বলেছেন, “জো বাইডেন যদি জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য রাজনৈতিক কাণ্ডজ্ঞান সম্পন্ন একজন প্রযু্ক্তি বিশেষজ্ঞর খোঁজে থাকেন, তবে তিনিই (মজুমদার) এগিয়ে থাকবেন।”

ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য অনুরোধ করা হলে অরুণ মজুমদার কিছু বলতে রাজি হননি। এর বদলে তিনি বাইডেনের ট্রানজিশন টিমের কাছে রাখা বিভিন্ন প্রশ্ন ও টিমের উত্তরের দিকে দৃষ্টি দিতে বলেন।

সম্প্রতি এক বিবৃতিতে বাইডেনের ট্রানজিশন টিম বলেছে, “এই সময়ে কোনো ব্যক্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়নি তারা।”

অরুণ মজুমদারের পাশাপাশি জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সম্ভাব্য মন্ত্রী হিসেবে যাদের নাম সংক্ষিপ্ত তালিকায় আছে তাদের অন্যতম এলিজাবেথ শেরউড র‌্যান্ডাল। সাবেক সহকারী জ্বালানিমন্ত্রী র‌্যান্ডালের পারমাণবিক অস্ত্র বিষয়ে বিশদ অভিজ্ঞতা রয়েছে এবং একে মূল্যবান বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ওই দুই ব্যক্তি।

স্বার্থের সংঘাত দূর করতে মজুমদারকে জ্বালানির সঙ্গে সম্পর্কিত সব ধরনের বোর্ড ও সংস্থা থেকে পদত্যাগ করতে বলা হয়েছে বলে এ বিষয়ে জ্ঞাত একজন জানিয়েছেন।

মজুমদার ইলেকট্রিক পাওয়ার রিসার্চ ইনস্টিটিউটের বোর্ড থেকে পদত্যাগ করেছেন এবং তা মঙ্গলবার থেকে কার্যকর হয়েছে বলে ইনস্টিটিউটটি জানিয়েছে।

“দেশের বৃহত্তর মঙ্গলের জন্যই তিনি সরে গেছেন বলে আমরা বুঝতে পেরেছি,” বলেছেন ইনস্টিটিউটটির প্রেসিডেন্ট আরশাদ মনসুর।