নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশের ইতিহাসে ২য় শিল্পপতি হিসেবে একুশে পদক পাচ্ছেন সুফি মিজান (ভিডিওসহ)

বাংলাদেশে শিল্পপতি হিসেবে ২০১৩ সালে স্কয়ার গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রয়াত স্যামসন এইচ চৌধুরীর পর এবার ২০২০ সালে সমাজসেবায় বিশেষ অবদানের জন্য দ্বিতীয় শিল্পপতি হিসেবে একুশে পদক পেতে যাচ্ছেন পিইচপি ফ্যামিলির চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি সুফি মিজানুর রহমান।

 

আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদকপ্রাপ্তদের হাতে এ সম্মাননা তুলে দেবেন।

বিজ্ঞাপন

এবার বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০ জনকে এবার একুশে পদকের জন্য মনোনীত করা হয়েছে।

বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এবারের পুরস্কারের জন্য মনোনীতদের নাম প্রকাশ করে।

এবারের একুশে পদকের জন্য মনোনীত হয়েছে মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটও।

সুফি মিজানুর রহমান ১৯৪৩ সালের ১২ মার্চ বর্তমান নারায়ণগঞ্জ জেলায় রূপগঞ্জ উপজেলার কাঞ্চন গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মরহুম সুফি মুহাম্মদ দায়েম উদ্দিন। মাতা রাহেতুন্নেছা। গ্রামের পাঠশালায় তাঁর প্রাথমিক শিক্ষাজীবন শুরু হয়। গ্রামেরই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভারত চন্দ্র স্কুল থেকে ১৯৬১ সালে মাধ্যমিক শিক্ষা গ্রহণ শেষ করেন। ১৯৬৩ সালে তিনি নারায়ণগঞ্জের তোলারাম কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণিতে ভর্তি হয়ে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন। পরবর্তী সময়ে ওই কলেজে বি.কম ক্লাসে ভর্তি হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে স্নাতক পাশ করেন।
সমাজসেবার অংশ হিসেবে পারিবারিকভাবে ঢাকার কাঞ্চননগর গ্রামে ৫০ শয্যার একটি হাসপাতাল গড়ে তোলেন তিনি। মাত্র পাঁচ টাকায় সেখানে রোগীদের দেয়া হয় চিকিৎসাসেবা। চট্টগ্রাম শহরের আসকারদীঘি পাড়ে মাউন্ট হাসপাতালসহ শিক্ষার্থীদের স্বল্পমূল্যে উচ্চশিক্ষার জন্য ‘ইউআইটিএস’ গড়ে তুলেছেন তিনি।
এছাড়া সুফী মিজানুর রহমান সামাজিক নানা কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে প্রায়ই আসেন আলোচনায়। ধারাবাহিকভাবে সমাজসেবায় নিয়োজিত থাকার কারণে তিনি ইতিমধ্যে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে গিয়েছেন।

 

উল্লেখ্য ১৯৭৬ সাল থেকে বাংলাদেশের বিশিষ্ট ভাষাসৈনিক, ভাষাবিদ, সাহিত্যিক, শিল্পী, শিক্ষাবিদ, গবেষক, সাংবাদিক, অর্থনীতিবিদ, দারিদ্র্য বিমোচনে অবদানকারী, সামাজিক ব্যক্তিত্ব ও প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় পর্যায়ে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি প্রদানের উদ্দেশ্যে একুশে পদক প্রদান করা হচ্ছে।