নিউজটি শেয়ার করুন

বরিশালের ঘটনায় আ.লীগ ৩ নেতার চোখ হারানোর শঙ্কা

ছবি: সংগৃহীত

সিপ্লাস ডেস্ক:  বরিশালের সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বাসভবনে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে ইউএনও কমপ্লেক্সের নিরাপত্তাকর্মীদের সংঘর্ষ ও আনসারের গুলির ঘটনায় আওয়ামী লীগের তিন নেতার দৃষ্টিশক্তি হারানোর শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

তাদের মধ্যে ২৩নং ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ সভাপতি মনিরুল ইসলাম মনির এবং বরিশাল সদর উপজেলার কাশীপুর ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি আতিকুর রহমান রায়হানের অপটিক নার্ভ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তাদের দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা কম বলছেন চিকিৎসক।

অন্যদিকে, ১৬ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি তানবীর হাসানের চোখের অবস্থাও খারাপের দিকে বলে জানানো হয়েছে।

গত ১৮ আগস্ট (বুধবার) রাতে বরিশাল উপজেলা পরিষদ চত্বরের ওই ঘটনায় আওয়ামী লীগের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী গুলিবিদ্ধ হন।

গত ১৮ আগস্ট (বুধবার) রাতে বরিশাল উপজেলা পরিষদ চত্বরের ওই ঘটনায় আওয়ামী লীগের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী গুলিবিদ্ধ হন।

এ বিষয়ে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি এ কে এম জাহাঙ্গীর বলেন, ‘দলের পক্ষ থেকে আহত প্রত্যেকের খোঁজখবর রাখা হচ্ছে।’ তাদের উন্নত চিকিৎসার বিষয়টি দেখতে কয়েকদিন অপেক্ষা করতে বলেন তিনি।

প্রসঙ্গত, ১৮ আগস্ট রাত সাড়ে ১০টায় বরিশাল সিটি করপোরেশনের ২০ থেকে ২৫ জন কর্মচারী নগরের সিঅ্যান্ডবি রোডে উপজেলা পরিষদ এলাকায় গিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতার শুভেচ্ছা ব্যানার অপসারণের কাজ শুরু করে। এ সময় ইউএনও-এর কার্যালয় ও সরকারি বাসভবনের নিরাপত্তায় নিয়োজিত আনসার সদস্যরা তাদের পরিচয় জানতে চান। তারা সকালে এসে কাজ করার জন্য বলেন।

এ সময় সিটি করপোরেশনের কর্মচারীদের সঙ্গে দায়িত্বরত আনসার সদস্যদের বাগবিতণ্ডা হয়। খবর পেয়ে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের শতাধিক নেতাকর্মী সেখানে যান। পরে সেখানে আনসার সদস্যদের সঙ্গে তাদের কথা কাটাকাটি হয়। এ সময় নেতাকর্মীরা ইউএনও-এর বাসায় ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গুলি ছোড়েন আনসার সদস্যরা। হামলা ও সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হন ওসি ও প্যানেল মেয়রসহ সাতজন। এছাড়া পুলিশের লাঠিচার্জে কমপক্ষে ৩০ জন আহত হন।

 

 

0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments