নিউজটি শেয়ার করুন

নগরীতে ফুটপাতে পণ্য রেখে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি: মানছে না চসিকের নির্দেশনা

মো: মহিন উদ্দীন: নগরীর বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তাঘাট ও ফুটপাতে হকারদের পণ্য রেখে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি বেড়েছে। ফুটপাত সংকুচিত করে পথচারী চলাচলের জায়গাটুকু হারাতে বসেছে।

এনিয়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে উচ্ছেদ করলেও পরে আবার ধীরে ধীরে পরিস্থিতি আগের অবস্থায় ফিরে যায় হকাররা। এরপর হকারদের নিয়ে চসিকের একাধিক মেয়র কতগুলো নির্দেশনা দিলেও তা কয়েকদিন বাস্তবায়ন করলে আগের অবস্থায় ফিরে আসে হকাররা।

নিউমার্কেটসহ গুরুত্বপূর্ণ কিছু মোড় ছোট ছোট ভাসমান দোকান, ব্যবসাসামগ্রী আর হকারদের ঠেলে গন্তব্যে পৌঁছাতে প্রতিদিনই হয়রানি পোহাতে হয় পথচারীদের।

একদিকে ফুটপাত দখল, অন্যদিকে রাস্তায়ও ঠিকভাবে হাঁটার অবস্থা ছিল না। ফুটপাত থেকে নামতেই রাস্তার পাশজুড়ে সারি সারি রিকশা আর মোটরসাইকেল। তখন বিড়ম্বনা আরও বাড়ে।

এই চিত্র কেবল চট্টগ্রাম নিউমার্কেট এলাকাজুড়ে নয়, চকবাজার, ফিরিঙ্গি বাজার, চাক্তাই, ইপিজেড মোড়, বহদ্দারহাট, ষোলশহর জংশন, জুবিলী রোড, আগ্রাবাদ ও জিইসি মোড়েও ছিল।

জানা যায়, হকাররা নগরীর ফুটপাতে কে কোন স্পটে বসবে তা হকার নেতারা নির্ধারণ করবে, রাস্তার দু’পাশে নয় বসতে হবে একপাশে, বসার স্থান মার্কিং করে দেবে সিসিসি, ফুটপাতে বেচাকেনার সময় বিকেল ৩টা থেকে রাত ৮টা, ফুটপাতের একাংশ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত রাখতে হবে, ফুটপাতে ও রাস্তায় কোনো অবকাঠামো থাকবে না এবং তালিকাভুক্ত হকারদের ব্যাচ ও ইউনিফর্ম থাকবে।

এর আগে সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের মেয়াদে একাধিকবার উদ্যোগ নিয়েও ফুটপাতে শৃঙ্খলা ফেরানো সম্ভব হয়নি। হকারদের জন্য ভ্যান চালু, সময় নির্ধারণ, ফুটপাতে মার্কিংসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছিলেন তিনি।

পথচারীরা জানান, নগরের অধিকাংশ এলাকার ফুটপাত দখল করে অবৈধভাবে বসেছে দোকানপাট। ফুটপাত যেন করাই হয়েছে দোকান বসানোর জন্য! এতে আমাদের চলাচলে অসুবিধা হচ্ছে। তাঁর জন্য বাধ্য হয়েই মূল সড়কে হাঁটছি।

একাধিক নারী পথচারীরা জানান, ফুটপাত দিয়ে নারীদের চলাচল মোটেও উপযোগি নয়। কারণ ফুটপাত দখল করে ভ্রাম্যমান টঙ দোকান আর ব্যবসায়ীদের মালামাল গুলো রাখে চলাচলের ফুটপাতে। এতে পুরুষরা এমনভাবে দাড়ায় সেখান দিয়ে কোন নারী যাওয়ার উপায় থাকে না। আবার কেউ যেতে গেলে ইচ্ছা করেই শরীরের সাথে লেগে যায় তারা। শুধু তা নয় ফুটপাতে অনেকেই আবার জ্যাম সৃষ্টি করে নারীদের গায়ে সেচ্ছায় হাত দেয়। একদম গা ঘেঁষাঘেষি করে চলাচল করতে হয়।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলী সিপ্লাসকে বলেন, আমি এখন ছুটিতে আছি। আসলে বিষয়টি দেখব।