নিউজটি শেয়ার করুন

দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে নতুন রেকর্ড, ছাড়াল ৪৮ বিলিয়ন ডলার

সিপ্লাস ডেস্ক: দেশে বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন বা চার হাজার ৮০০ কোটি ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করেছে। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের ইতিবাচক ধারা এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ১.৪৫ বিলিয়ন ডলারের ঋণ-সহায়তা যোগ হওয়ায় রিজার্ভের এই পরিমাণ। যা অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি।

মঙ্গলবার (২৪ আগস্ট) দিন শেষে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪৮.০৪ বিলিয়ন ডলার। এই রিজার্ভ দিয়ে ১২ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব।
এর আগে গত ২৯ জুন রিজার্ভ প্রথমবার ৪৬ বিলিয়ন বা চার হাজার ৬০০ কোটি ডলারের নতুন মাইলফলক অতিক্রম করে।
গত ২৯ জুলাই চলতি অর্থবছরের মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির।
তিনি সেদিন তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, ‘করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে লকডাউনসহ নিয়ন্ত্রণমূলক নানা বিধিনিষেধে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ব্যাহত হলেও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ চলতি অর্থবছরে ৫২ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হবে।’
গত বছরের ২৮ অক্টোবর প্রথমবারের মতো রিজার্ভে ৪০ বিলিয়ন ডলারের রেকর্ড সৃষ্টি হয়। এরপর থেকে অব্যাহতভাবে তা বাড়ছে।
অন্যদিকে জুলাই মাসে ১৮৭ কোটি ১৪ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার (১.৮৭ বিলিয়ন) রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। আর অর্থবছরের হিসাবে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আসে ২০২০-২১ অর্থবছরে। ২০২০-২১ অর্থবছরে মোট দুই হাজার ৪৭৭ কোটি ৭৭ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স দেশে আসে যা ২০১৯-২০ অর্থবছরের চেয়ে ৩৬ দশমিক ১০ শতাংশ বেশি।
২০১৯-২০ অর্থবছরে এক হাজার ৮২০ কোটি ডলার বা ১৮ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল দেশে। আর ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে রেমিট্যান্স আসে এক হাজার ৬৪২ কোটি ডলার।
করোনাভাইরাসের কারণে বৈদেশিক বাণিজ্যের নিম্নগতি থাকলেও প্রবাসী আয় বৈদেশিক মুদ্রার রির্জাভ বাড়াতে সহায়তা করেছে। দেশে উন্নয়নশীল অংশীদারদের বিনিয়োগও আসা শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা।
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments