নিউজটি শেয়ার করুন

জাপান বাংলাদেশের বন্ধুত্বের ৫০ বছর পুর্তি: ১০ বছরের উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে চট্টগ্রাম চেম্বারের সাথে সমঝোতা স্বাক্ষর

সিপ্লাস প্রতিবেদক: ৭১ এর স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে অন্যতম দেশের নাম জাপান। জাপানের সঙ্গে বর্তমানে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

দেশের বিভিন্ন উন্নয়ন খাতে সারাদেশে ১০০টি অর্থনৈতিক শিল্প অঞ্চল বিশেষ করে মিরসরাই ইকোনমিক জোনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প নগর, মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর, বে টার্মিনাল, এক্সপ্রেস হাইওয়ে, ঢাকা মেট্রোরেল পদ্মা সেতুর মতো উন্নয়ন প্রকল্পে কাজ করছে বিভিন্ন জাপানি প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশ গড়ার সপ্নে বাস্তবায়নের জন্যে কাজ করছে ৩১৫ টি জাপানি কোম্পানি।

২২ নভেম্বর রোববার নগরীর আগ্রাবাদ ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে জাপান বাংলাদেশের বন্ধুত্বের ৫০ বছর পুর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জাপান বাংলাদেশের মধ্যকার অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্কের এসব বিষয় তুলে ধরেন বক্তারা।

এসময় বেসরকারী উন্নয়ন খাতে আগামী এক দশকের পরিকল্পনা শীর্ষক যৌথ প্রকল্পের বিষয়ে জাপান ও বাংলাদেশের মধ্যে এক সমঝোতা স্বারক স্বাক্ষর করা হয়। সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি এর সভাপতি মাহবুবুল আলম এবং জাপান বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ড্রাষ্ট্রি এর সভাপতি ও জেটরো’র কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টিটিভ ইউজি অ্যান্ডো।

মুলত জাপান-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য উন্নয়নে দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি , ঢাকাস্থ জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশন এবং জাপান-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি এই তিনটি প্রতিষ্ঠান এক জোট হয়ে ১০ বছরের উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে এই প্রোগ্রামটি চালু করে।

যেখানে ২০২১ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত ১০ বছরের জন্য পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে বেসরকারি খাতের উন্নয়নে পরিকল্পনা প্রণয়ন, ব্যবসায়-বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সমস্যা ও সম্ভাবনা চিহ্নিতকরণসহ বাংলাদেশ-জাপান দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য কাজ করা হবে।

অনুষ্ঠনে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে বানিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশি এমপি, শিক্ষা উপ মন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি, জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শাহাবুদ্দিন আহমেদসহ গুরুত্বপুর্ন ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।