নিউজটি শেয়ার করুন

চসিকের নাম ভাঙিয়ে ‘সোনার বাংলা’ স্পেশাল বাস সার্ভিসের মিথ্যাচার

শাহরুখ সায়েল: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) এর অনুমোদন না নিয়েই সড়ক দখল করে অবৈধ বাস কাউন্টার বসিয়ে ‘সোনার বাংলা’ স্পেশাল বাস সার্ভিসের মিথ্যাচার করার অভিযোগ উঠেছে।

জানা যায়, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পরিবহন মালিক গ্রুপের ‘সোনার বাংলা’ নামে নতুন ওই বাস সার্ভিস বাকলিয়া নতুন ব্রিজ থেকে বহদ্দারহাট, জিইসি মোড়, আগ্রাবাদ, বড়পোল, কর্নেলহাট হয়ে যাচ্ছে সিটি গেট পর্যন্ত চলাচল করে। সোনার বাংলা বাস সার্ভিস পরিচালনার জন্য নগরীর বিভিন্ন স্টপেজ এ তারা সিটি কর্পোরেশনের অনুমতি না নিয়েই কাউন্টার বসিয়ে করছে টিকেট বিক্রি। অবৈধ এসকল কাউন্টার পরিচালনার স্বার্থে তারা লিখেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে অনুমোদিত।

এছাড়াও বর্তমানে নগরীতে মেট্রো প্রভাতী নামে তাদের আরেকটি কাউন্টারভিত্তিক বাস সার্ভিস চালু রয়েছে।

ব্যস্ততম সড়কে কাউন্টার বসানোর অনুমতির বিষয়ে খোঁজ নিতে গিয়ে দেখা যায় তাদের সোনার বাংলা বাস সার্ভিস পরিচালনার জন্য কোন কাউন্টারের অনুমতি নেই। তারা মেট্রো প্রভাতির কাউন্টার বসানোর অনুমতি পত্র ব্যবহার করেই বসিয়েছে নতুন বাস সার্ভিসের কাউন্টার।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে গিয়ে দেখা যায়, সোনার বাংলা বাস সার্ভিসের কাউন্টার বসানোর জন্য কোন অনুমতি নেয়নি চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পরিবহন মালিক গ্রুপ। ২০১৮ সালে ৫ বছরের চুক্তিতে শুধু মেট্রো প্রভাতি বাস সার্ভিসের কাউন্টার বসানোর অনুমতি নিয়েছিলো তারা।

অনুমতি না নিয়ে কিংবা মেট্রো প্রভাতির অনুমতি পত্র দিয়ে সোনার বাংলা বাস সার্ভিসের কাউন্টার স্থাপন করতে পারে কিনা এ বিষয়ে জানতে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পরিবহন মালিক গ্রুপের মহাসচিব বেলায়েত হোসেন বেলাল কে প্রশ্ন করা হলে তিনি সিপ্লাসকে বলেন আমরা কর্পোরেশনে আবেদন করেছি এখনও অনুমতি পাইনি। আমাদের অনুমতি নেই। আমাদের কাজটি ঠিক হয়নি । আমাদের সার্ভিসটি আপনারা ইতিবাচক ভাবে নিবেন। কাউন্টার স্থাপনের বিষয়টি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

অনুমতি না নিয়ে কর্পোরেশনের নাম ভাঙিয়ে কাউন্টার বসানোর বিষয়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এম. রেজাউল করিমের কাছে জানতে চাইলে তিনি সিপ্লাসকে বলেন, কর্পোরেশনের জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা বাস কাউন্টার, টঙ দোকানসহ সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।

কর্পোরেশনের জায়গা ও ফুটপাতে কাউন্টার বসাতে হলে অবশ্যই সিটি কর্পোরেশনের অনুমতি নিতে হবে। কর্পোরেশনের নাম ভাঙিয়ে যে বা যারা অবৈধ ভাবে রাস্তা কিংবা ফুটপাত দখল করবে তাদের সকলের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অনুমতি না নিয়ে তারা কেনো কর্পোরেশনের নাম ব্যবহার করছে সে বিষয়ে তাদের কাছে জানতে চাওয়া হবে এবং ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ব্যবস্থা নেওয়ার ও নির্দেশ প্রদান করেন চসিক মেয়র।