নিউজটি শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম শহরের বিভিন্ন দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা

সিপ্লাস প্রতিবেদক:  ফাার্মেসীতে ঔষধের দাম বেশী নেয়া, মেয়াদোত্তীর্ণ পানীয় বিক্রি করা সহ বিভিন্ন অভিযোগে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

কোতোয়ালী এলাকার সতীশ বাবু লেইনের জনসেবা ফার্মেসিতে ৫ টাকার ওষুধের দাম নেওয়া হয়েছিল ১৫ টাকা। এরপর প্রমাণসহ ক্রেতা অভিযোগ করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরে।

সোমবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এপিবিএন, ৯ এর সহায়তায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক (মেট্রো) পাপীয়া সুলতানা লীজা ও জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান অভিযান চালিয়ে এ অভিযোগ নিষ্পত্তি করেন।

মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান জানান, জনসেবা ফার্মেসিকে ৫ টাকার ওষুধ ১৫ টাকায় বিক্রি করার অভিযোগের প্রেক্ষিতে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই প্রতিষ্ঠানকে ওষুধের মোড়কে মূল্য ও মেয়াদ ঘষামাজা করা এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংরক্ষণ করায় আরও ২০ হাজার টাকা জরিমানাসহ সতর্ক করা হয়েছে। ধ্বংস করা হয়েছে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ।

এ ছাড়া হালিশহর থানার ছোট পুল এলাকার মেসার্স আধুনিক গৃহসাজকে ৬৫ টাকার পণ্য ১৪০ টাকায় বিক্রির অভিযোগের প্রেক্ষিতে ২ হাজার টাকা জরিমানাসহ সতর্ক করা হয়েছে।
তিনি জানান, কোতোয়ালী থানার আলকরণের মোড় এলাকার বিসমিল্লাহ্ ঝাল মুখকে মেয়াদোত্তীর্ণ কোমলপানীয়ের বোতলের মেয়াদ মুছে বিক্রির জন্য সংরক্ষণ করায় ১৫ হাজার টাকা জরিমানাসহ জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এসব কোমলপানীয় ধ্বংস করা হয়েছে।

হালিশহর থানার বড়পোলের খান ডিপার্টমেন্টাল স্টোরকে নকল চেরি ও অননুমোদিত রং সংরক্ষণ করায় ১০ হাজার টাকা জরিমানাসহ বর্ণিত পণ্য ধ্বংস করা হয়েছে। একই এলাকার হোটেল আল বোস্তানকে রান্নাঘরে খোলা ডাস্টবিন রাখা, একই ফ্রিজে কাঁচা মাছ-মাংসের সঙ্গে রান্না করা খাবার রাখা, বাসি খাবার রাখা, অননুমোদিত ফ্লেভার ব্যবহার করায় ২০ হাজার টাকা জরিমানাসহ সতর্ক করা হয়েছে। একই সঙ্গে অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় রাখা এবং বাসি খাদ্যপণ্য ধ্বংস করা হয়েছে।

জনস্বার্থে এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান।