নিউজটি শেয়ার করুন

কক্সবাজারে ঈদগাঁও থানা উদ্বোধন করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এমপি

সেলিম উদ্দীন, কক্সবাজার: “ইয়াবা বন্ধে সবধরনের উদ্যোগ নেয়া হবে, কক্সবাজারকে ট্যুরিস্ট হাব হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে, রেল লাইন আসছে, তাই কক্সবাজারের আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।”

বুধবার ২০ জানুয়ারী দুপুরে জেলার নবম এবং দেশের ৬৫১তম ঈদগাঁও থানার উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল সাংবাদিকদের সাথে সংক্ষিপ্ত প্রেস ব্রিফিংয়ে একথা বলেন। দুপুর সোয়া ২টার দিকে তিনি অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছলে পুলিশের একটি চৌকষ দল তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন এবং পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাকে অভ্যর্থনা জানান। পরে তিনি ফলক উম্মোচন ও বেলুন উড়িয়ে ঈদগাঁও থানার শুভ উদ্বোধন করেন।

এ সময় রামু-কক্সবাজার এর সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সাইমুম সরওয়ার কমল, কক্সবাজার ১ আসনের (চকরিয়া-পেকুয়া) সংসদ সদস্য জাফর আলম, মহেশখালী- কুতুবদিয়া সাংসদ আশেক উল্লাহ রফিক, সংরক্ষিত নারী সাংসদ কানিজ ফাতেমা, পুলিশের আইজিপি ড. বেনজীর আহমদ, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেন, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান লেঃ কর্ণেল (অবঃ) ফোরকান আহমদ, জেলা প্রসাশক মোঃ মামুনর রশিদ, পুলিশ সুপার হাসানুজ্জামানসহ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, কক্সবাজার জেলা আ’লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এড. ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী, সাধারন সম্পাদক মুজিবুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক নাজনীন সরওয়ার কাবেরী, কক্সবাজার প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবু তাহের, সাধারন সম্পাদক মুজিবুল ইসলাম, কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক ও জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ইমরুল হাসান রাশেদ, ঈদগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ছৈয়দ আলম, পোকখালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রফিক আহমদ, ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কালাম, ইসলামাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান নুর ছিদ্দিক, কক্সবাজার সদর উপজেলা আ’লীগ নেতা মাস্টার নুরুল আজিম, সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড সভাপতি ডা. শামশুল হুদা, কক্সবাজার জেলা যুবলীগের সহ সভাপতি হুমায়ুন কবির চৌধুরী হিমু, জেলা ছাত্রলীগ সাধারন সম্পাদক মারুফ আদনান, সদর উপজেলা যুবলীগ সহ সভাপতি মিজানুল হক, স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ, আ’লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠান শুরুর আগে জালালাবাদের চেয়ারম্যান ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক ইমরুল হাসান রাশেদ ঈদগাঁও বাঁচাও আন্দোলনের ব্যানারে বিশাল একটি মিছিল নিয়ে অনুষ্ঠানস্থলে এসে উপস্থিত হন। এর মধ্য দিয়ে কক্সবাজার সদরের বৃহত্তর ঈদগাঁওবাসীর বহুল প্রতিক্ষীত স্বপ্ন পূরন হল। কক্সবাজার সদর উপজেলার ঈদগাঁও, ইসলামাবাদ, জালালাবাদ, ইসলামপুর এবং পোকখালী এ ৫টি ইউনিয়ন নিয়ে নতুন এ থানার যাত্রা শুরু হল। গত বছরের ২১ অক্টোবর রাজধানীর তেজগাঁওয়ের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত নিকারের সভায় ঈদগাঁও থানার অনুমোদন দেওয়া হয়। কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁওবাসী বৃহত্তর ঈদগাঁওকে নিয়ে একটি আলাদা উপজেলা বাস্তবায়নের দাবীতে দীর্গ ২ যুগ ধরে আন্দোলন সংগ্রাম করে আসছে। একটি পুলিশি থানা স্থাপনের মাধ্যমে ঈদগাঁও একটি পূর্ণাঙ্গ উপজেলা হিসেবে আত্মপ্রকাশের পথে এগিয়ে গেল বলে মনে করছেন স্থানীয় জনগণ। কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ইসলামাবাদ ইউনিয়নের তেতইগাছতলার শাহ ফকিরাবাজারে স্থাপিত বর্তমান ঈদগাঁও তদন্ত কেন্দ্রকে থানায় রুপান্তর করা হয়েছে। ভবিষ্যতে ঈদগাঁও ইউনিয়নের মেহেরঘোনা নামক স্থানে থানা ভবন স্থাপন করা হবে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়।