নিউজটি শেয়ার করুন

একটি সড়ক বদলে দিতে পারে গ্রামবাসীর ভাগ্য!

সেলিম উদ্দীন, কক্সবাজার: কক্সবাজার সদর উপজেলার পোকখালী ইউনিয়নের গোমাতলী রাজঘাট মাত্র দেড় কিঃমিঃ সড়কের অভাবে গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিভিন্ন সময়ে সরকারের বদল হলেও রাজঘাটবাসীর ভাগ্যের কোনো বদল হয়নি।

আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার এ সময়ে এখানকার মানুষ উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা থেকে বারবার পিছিয়ে রয়েছে। উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা তাদের কাছে বরাবরই শুধু স্বপ্ন। এ নিয়ে তাদের নিত্যদিনের দুঃখ-দুর্দশার সঙ্গে ক্ষোভ জমাট বেঁধে আছে।

সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারী) গোমাতলী রাজঘাটবাসীর ভাগ্য পরিবর্তনে কক্সবাজার এলজিইডি কর্মকর্তারা সরেজমিন সড়ক পরিদর্শন করেছেন।

এদিন ইউনিয়নের উত্তর গোমাতলী আমির হোসেন পাড়ার রাস্তার মাথা থেকে রাজঘাট পর্যন্ত এলজিইডির সড়কটি পরিদর্শন করেন কক্সবাজার এলজিইডি কর্মকর্তা তোয়াইল খিশা। পরিদর্শনকালে তাকে সার্বিক ভাবে সহযোগিতা করেন পোকখালী ইউপি’র নৌকা প্রত্যাশি ফরিদুল আলম ফরিদ, বাংলাদেশ লবণ সমিতির সহ- সভাপতি সাইফুদ্দিন, ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি নুরুল হুদা ও সাধারন সম্পাদক মনসুর আহমদ প্রমুখ।

জানা গেছে, গত ক’বছর ধরে এলাকাবাসী যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে নিজেদের উদ্যোগে রাস্তা নির্মাণের পর এখন তারা একটি সড়কের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে।

স্থানীয়রা মনে করছে, একটি সড়কই পাল্টে দিতে পারে জনবিচ্ছিন্ন রাজঘাট পাড়াসহ গ্রামের মানুষের জীবনযাত্রা। তাদের মতে, বছরের পর বছর ধরে কাদামাটি ও নোনা পানি ডিঙ্গিয়ে ভোগান্তিতে পড়েছে এলাকার জনগণ।

রাজঘাটপাড়ার বাসিন্দা নুরুল হুদা বলেন, দীর্ঘ দিনের দুর্ভোগ লাগবে আমরা এখন একটি রাস্তা নির্মাণের মাধ্যমে নতুন স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছি।

তিনি বলেন, রাস্তা হলেই গ্রামবাসীর যাতায়াতের সব সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে।

গোমাতলীর লবণ ব্যবসায়ী সাইফুদ্দীন বলেন, আমির হোসেন পাড়ার রাস্তার মাথা থেকে রাজঘাট পাড়া পর্যন্ত সড়ক নির্মাণ করা হলে গ্রামের দৃশ্যপট পাল্টে যাবে। ছেলে-মেয়েদের স্কুল-কলেজে যাতায়াতসহ লবণ,মৎস্য পণ্য বাজারজাতকরণে নতুন দিগন্তের উন্মোচন হবে। পোকখালী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের মেম্বার দুখু মিয়া রাজঘাট পাড়ার যাতায়াতের রাস্তা খুব শিগগিরই পূরণ হবে বলে নিশ্চিত করেন তিনি।

পোকখালী ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আ’লীগ সাধারন সম্পাদক রফিক আহমদ বলেন, লবণ মৎস্য খ্যাত গোমাতলী রাজঘাট সড়ক হলে এলাকার সৌন্দর্য্য ও যোগাযোগ সহজ হবে।

তিনি বলেন এলাকার সার্বিক উন্নয়নে অনেক কিছুই ছাড় দিতে হবে। না হলে উন্নয়ন থেমে যাবে।